June 24, 2026, 5:40 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

ইতোমধ্যে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে’

Reporter Name

অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির স্বাস্থ্যের অবনতি এবং তাঁকে ঘিরে থাকা তথ্যের শূন্যতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর ছেলে কিম আরিস। সু চি মারা গেলেও সেই তথ্য পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে কিম আরিস বলেছেন, গত কয়েক বছর ধরে তিনি তাঁর ৮০ বছর বয়সী মায়ের কোনো খবর পাননি। ২০২১ সালে সু চির সরকার উৎখাত হওয়ার পর থেকে, মাঝেমধ্যে শুধু তাঁর হৃদ্‌যন্ত্র, হাড় এবং মাড়ির সমস্যার কিছু তথ্য আরিস জানতে পেরেছেন।
টোকিওতে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরিস বলেন, “তার (অং সান সু চি) স্বাস্থ্যগত সমস্যা চলছে। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কেউ তাঁকে দেখেনি। পরিবার তো দূরের কথা, তাঁকে তাঁর আইনি দলের সাথেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। আমি যতদূর জানি, ইতোমধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।”

চলতি মাসের শেষ দিকে মিয়ানমারের জান্তা সরকার নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে। আরিস এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন, যা অনেক বিদেশি সরকারও ভুয়া বলে মনে করে। তাঁদের মতে, এটি সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার কৌশল মাত্র। তবে আরিস মনে করেন, এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তাঁর মায়ের দুর্দশা কিছুটা হলেও কমার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আরিস আরও বলেন, “আমি মনে করি মিন অং হ্লাইং (মিয়ানমার জান্তাপ্রধান)-এর আমার মায়ের ক্ষেত্রে নিজস্ব এজেন্ডা আছে। যদি তিনি নির্বাচনের আগে বা পরে তাঁকে মুক্তি দিয়ে অথবা গৃহবন্দী করে সাধারণ জনগণকে সন্তুষ্ট করার জন্য তাঁকে ব্যবহার করতে চান, তাহলেও অন্তত সেটা কিছু একটা হবে।”
রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে মিয়ানমার জান্তার একজন মুখপাত্রকে ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ছুটির দিন বা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার ইতিহাস আছে। ২০১০ সালে একটি সাধারণ নির্বাচনের কয়েক দিন পর নোবেলজয়ী অং সান সু চি-কে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে তাঁর আগের দীর্ঘ আটকাবস্থার অবসান ঘটেছিল।



ফেসবুক কর্নার