September 17, 2026, 8:23 pm

ঘুসের প্রতিযোগিতা চলছে, বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ

অভয়নগর প্রতিবেদক

**নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও ঘুসের অভিযোগ বন্ধ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে বাংলাদেশ ম্যানপাওয়ার, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং ব্যুরোর (বিএমইটি) নিবন্ধন ও ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান জানান। হাসনাতের দাবি, গত এক সপ্তাহ ধরে বিএমইটি কার্ড বা ক্লিয়ারেন্স দেওয়া বন্ধ থাকলেও অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে গোপনে কার্ড দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তাঁর ভাষায়, নতুন সরকার আসার পরও ‘ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা’ চলছে। **

**হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রবাসী কর্মীদের জন্য প্লাস্টিক কার্ডের পরিবর্তে এনআইডি ও পাসপোর্টের তথ্য সমন্বিত একটি নির্ভুল নিবন্ধনভিত্তিক ডেটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতার সনদ, ভিসা, দূতাবাসের অনুমোদন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার তথ্য সংশ্লিষ্ট সরকারি ও অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিরাপদ এপিআইয়ের মাধ্যমে অনলাইনে যাচাই করা যেতে পারে। এতে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, কর্মহীনতা, মৃত্যু, বেতন না পাওয়া কিংবা যুদ্ধ ও আঞ্চলিক সংঘাতের সময় প্রবাসীদের সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকর তথ্যভান্ডার তৈরি হবে বলে তিনি মনে করেন। **

**এনসিপির এই নেতা দাবি করেন, হার্ডকপি ও ম্যানুয়াল যাচাইয়ের ওপর নির্ভরতার কারণে প্রবাসী কর্মীদের হয়রানি এবং দালালনির্ভরতা বাড়ছে। ভারত ও নেপালের প্রবাসী কর্মী ব্যবস্থাপনার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বাংলাদেশেও অনলাইনভিত্তিক ও তথ্যনির্ভর সেবা চালুর প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যয়, ঘুস ও দালালচক্রের কারণে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএমইটির বর্তমান নিবন্ধন ও ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থা আমূল সংস্কার এবং প্রবাসীদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান হাসনাত। **



ফেসবুক কর্নার