October 4, 2026, 11:48 pm

ভূমিহীনরা চাকরি পাবে না, কোন সংবিধানে লেখা: শিক্ষামন্ত্রী

অভয়নগর প্রতিবেদক

স্থায়ী আবাসন বা ভূমিহীন হওয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মিশন আচার্যের নিয়োগ আটকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। রোববার (৪ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনালাপে তিনি জানতে চান, স্থায়ী আবাসন না থাকলে কাউকে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না—এমন কোনো বিধান বা সার্কুলার রয়েছে কি না।
অডিওতে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, আবাসন না থাকলে তা ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা। তিনি প্রশ্ন করেন, কোন সংবিধানে লেখা আছে আবাসন না থাকলে চাকরি দেওয়া যাবে না। স্থায়ী ঠিকানা নিয়োগের শর্ত হলে নিজস্ব জায়গা-জমি নেই—এমন মানুষদের চাকরির সুযোগ কীভাবে থাকবে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। মিশনের নিয়োগ আটকে দেওয়ার বিষয়ে অধিদপ্তরের মতামত চাওয়া হয়েছিল জানানো হলে, মন্ত্রী নথি পাঠানোর সময় ও সিদ্ধান্তের ভিত্তি জানতে চান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন মিশনকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, মিশন নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন। ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ মেধার ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৮২ জনের মধ্যে ১৮০ জন নিয়োগপত্র পেলেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় মিশনের নিয়োগ আটকে যায়। ঝিনাইদহে ভাড়া বাসায় বেড়ে ওঠা মিশন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।



ফেসবুক কর্নার