
কুমিল্লার লালমাইয়ে জান্নাতুল তাজমিন (১৪) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, হাতব্যাগ এবং কয়েকটি ধানক্ষেতে এলোমেলো গাছ দেখে ধস্তাধস্তির চিহ্নের কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন জানান, অটোরিকশা পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছু দূরে হাতব্যাগ ও ধানক্ষেতে মরদেহ দেখতে পান। পরে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। আরেক বাসিন্দা মো. মুহিন বলেন, ধানক্ষেতের অবস্থা দেখে মনে হয়েছে, সেখানে ধস্তাধস্তি হয়েছে। কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে শ্বাসরোধে হত্যার ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। অটোরিকশার নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্যের সূত্র ধরে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় তাজমিনের বাবা আব্দুল আলিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে লালমাই থানায় হত্যা মামলা করেছেন। যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের বাসিন্দা তাজমিন কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারসহ সে নগরীর রেসকোর্স এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত। ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে যশোরের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফনের কথা রয়েছে।