ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। তাই অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন হবে না বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ ও প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে সানাউল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছে কমিশন। ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও ফুটেজ সংরক্ষণের পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির প্রস্তুতি রয়েছে।
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত ও নিষ্পত্তিতে ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি কাজ করছে। মাঠপর্যায়ে বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করছেন। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে, বাকি দুটি তদন্তাধীন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এ সময় ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ভিজিল্যান্স ও পর্যবেক্ষণ টিমের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।