
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া নারীদের সঙ্গে কেউ কেউ অমানবিক ও অভদ্র আচরণ করছে। জনগণের ভোটে পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই এমন আচরণ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতকে নতুন করে উসকানি না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলের কর্মীরা এক আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে মাথানত করে না। ধৈর্যের সীমা পরীক্ষা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে। তাই বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখানো হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ১১ দলের ২২টি হাত একত্রিত হয়েছে, যা মূলত দেশের আপামর জনগণের ঐক্যের প্রতিফলন। এই ঐক্য দুর্নীতিবাজ, দখলবাজ, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত লাল কার্ড দেখাবে। তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ জিতবে, আর ‘না’ ভোট জিতলে দেশ পিছিয়ে পড়বে।
যুবসমাজের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান যুবসমাজ পুরোনো ও ব্যর্থ রাজনীতি আর দেখতে চায় না। গত ৫৪ বছরে যে রাজনীতি দেশকে অন্ধকার গলিতে ঠেলে দিয়েছে এবং অন্য রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল করেছে, সেই রাজনীতির পুনরাবৃত্তি তারা চায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দল নির্বাচিত হলে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কখনো সম্পদের পাহাড় গড়বে না। প্রতিবছর তাদের ও তাদের স্বজনদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি যুবসমাজকে বেকার ভাতা নয়, সম্মানজনক কাজ দিতে চান তিনি। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারও করেন জামায়াতের আমির।