June 24, 2026, 5:35 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

সিলেটে রমজান উপলক্ষে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি

অভয়নগর প্রতিবেদক

পবিত্র রমজান মাসের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ টুকের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও ইফতার সামগ্রী ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়ের মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে বাড়তি দাম সাধারণ ক্রেতাদের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজারে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ পণ্যের দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ইফতারের প্রধান উপকরণ খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে। প্রতি কেজি ছোলা বা বুট ১০০-১১০ টাকা, ডাল ১১৫-১২০ টাকা, ভারতীয় চিনি ১০০ টাকা এবং দেশীয় চিনি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সয়াবিন তেলের প্যাকেট ১৮০-১৮৫ টাকা, বোতলজাত তেল ১৯০-২০০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া মুড়ির কেজি ৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৭০ টাকা, পেঁয়াজ ৫৫-৬০ টাকা এবং শসা ৬০-৮০ টাকা। সবচেয়ে বেশি দাম হাঁকানো হচ্ছে লেবুতে; প্রতি হালি (৪টি) লেবু বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ২০০ টাকায়।
বাজারে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অধিকাংশ পণ্যের দাম বাড়লেও সামগ্রিকভাবে বাজার পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। বিক্রেতারা জানান, রমজান উপলক্ষে ক্রেতাদের উপস্থিতি ও বিক্রি ভালো, তবে চাহিদার তুলনায় কিছু পণ্যের সাময়িক ঘাটতি রয়েছে।
দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, অনেক কৃষক রমজানে বেশি দাম পাওয়ার আশায় আগেভাগে ফসল তোলেননি। এতে বাজারে সাময়িক সরবরাহ সংকট ও কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হয়েছে। তবে শুকনা পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় তাদের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, বাজার তদারকি ও মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করলে কৃত্রিম সংকট রোধ করা সম্ভব এবং সাধারণ ক্রেতাদের সুবিধা নিশ্চিত করা



ফেসবুক কর্নার