April 24, 2026, 12:04 pm
শিরোনাম :
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নীতিমালার কড়াকড়ি: চাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬: একটি যুগান্তকারী রক্ষাকবচ সালিস বৈঠকে স্কুলের দেয়াল ধসে সাবেক কাউন্সিলরসহ আহত ৩ প্রবাসী নবী হোসেনের সংসার ভাঙনের অভিযোগ, ন্যায়বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ জবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সুবিধা চালু ভুল প্রশ্নপত্র ইস্যুতে ১৭৭ শিক্ষার্থী নিয়ে শঙ্কা নেই: জেলা প্রশাসক গোবিন্দগঞ্জে বৈশাখী মেলার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড: প্রশাসনের অভিযানে আসর ভেঙে দেওয়া শিবপুরে প্রাইভেট পড়াতে অস্বীকৃতি: শিক্ষকের ওপর হামলা, আটক ২ দোয়ারাবাজারে মাদকসহ আটক মামুন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক বছরের কারাদণ্ড ধামইরহাটে পুলিশের অভিযানে ৬৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও ধ্বংস

জামায়াত আমির ভাষা শহীদরা জীবন দিয়ে দেখিয়েছে, লড়াই করলে নিজের অধিকার ফিরে পাওয়া যায়

মোঃ ইসমাইল হোসেন

জামায়াতে ইসলামী আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৯৫২ সালের শহীদরা হাতে আঙ্গুল দিয়ে জীবন দিয়ে আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছে, বীররা কখনও হারায়নি। তাদের কোনো পরাজয় নেই, সর্বত্রই বিজয়ী হয়। লড়তে পারলে নিজের অধিকার ফিরে পাওয়া যায়। হয়তো আমার জীবন যাবে, কিন্তু আমার জাতি জীবন পাবে। আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও জাতির জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এই লড়াই চালিয়ে যাবো। ইনশাল্লাহ।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পরে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জামায়াত আমির। পরে আজিমপুরে শহীদদের কবরে দোয়া-মোনাজাত করে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য সেই সময়ের তরুণ, যুবক ও ছাত্ররা বুক পেতে লড়াই করেছিল। সেদিনকার এই লড়াইয়ে আমাদের কিছু সংখ্যক সহযোদ্ধা শাহাদাত বরণ করেছিলেন। আজকে সেইদিনে তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি এবং আল্লাহ তায়ালার দরবারে সকলের জন্য মাগফিরাত কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন, জামায়াত মানুষের অধিকারের জন্যই লড়াই করে। এই লড়াই অব্যাহত থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে একটি মানবিক সমাজ কায়েম না হবে। যেখানে মানুষ ন্যায়বিচার পাবে, দুর্নীতিমুক্ত হবে, চাঁদাবাজির কলুষিত কালো থাবা থেকে মানুষ মুক্তি পাবে এবং কোনো অবিচার কারx উপর করার কেউ দুঃসাহস দেখাবে না। সেরকম একটি সমাজ কায়েমের জন্য আমাদের লড়াই অব্যাহত আছে।

জামায়াত আমির বলেন, আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে শিশুদের জন্য। যারা আজকের শিশু আগামী দিনে সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে, তাদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য রাষ্ট্র যাতে দায়িত্ব পালনে বাধ্য হয়, সেই পর্যায়ে রাষ্ট্রকে নিয়ে আমরা ভাবছি এবং আমরা তার জন্য লড়াই করে যাচ্ছি। প্রত্যেকটি মুটে মজুর, মাঝি, শ্রমিক, কৃষক এবং বিভিন্ন পেশার শ্রেণীর মানুষের মুক্তির জন্য আমাদের এই লড়াই। এই লড়াই কোনো অভিজাত শ্রেণীর জন্য নয়। বরঞ্চ বঞ্চিত মানুষের জন্য। বঞ্চিত মানুষ আমরাও, সারা দেশবাসীও। এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।



ফেসবুক কর্নার