March 13, 2026, 8:17 am
শিরোনাম :
পাবনায় চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ২ জন আহত ইরান যুদ্ধে মোতায়েন বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে আগুন ইরানে স্থলবাহিনী নামানোর প্রয়োজন নেই : মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম মাঠ প্রশাসন সাজাচ্ছে নতুন সরকার : ঈদের আগেই প্রজ্ঞাপন ২০ নাকি ২১ মার্চ, কবে ঈদুল ফিতর? জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা নলডাঙ্গায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা রৌমারীতে সোনালী ব্যাংকে জাল নোটসহ যুবক আটক, বড় চক্রের সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কা বরিশালে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর পাভেল মুন্সীর জামিন নামঞ্জুর, জেল হাজতে প্রেরণ মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: জাকির সভাপতি, জাহিদুল সাধারণ সম্পাদক

ইরানে স্থলবাহিনী নামানোর প্রয়োজন নেই : মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম

অভৈয়নগর প্রতিবেদক

ইরানে চলমান যুদ্ধে মার্কিন স্থলবাহিনী নামানোর কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধ আরও বেশ কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

গত কাল বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, “এ অভিযানে আমাদের লক্ষ্য হলো ইরানের পরমাণু অস্ত্রের হুমকি এবং ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি’র শেকড় উপড়ে ফেলা। এ অভিযান শেষ হলে ইরানের ক্ষমতায় যারাই থাকুক— তারা যুক্তরাষ্ট্রকে আর হামলার হুমকি দিতে পারবে না। কারণ তাদের কাছে পরমাণু অস্ত্রও থাকবে না, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও থাকবে না। এ অভিযান আরও কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে।”

“আমাদের নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। তারা ভালোভাবে দায়িত্বপালন করছে। (এ অভিযানে) স্থলবাহিনীর সেনাদের নামানোর প্রয়োজন নেই। (কারণ) এটা ইরাক নয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়কার জার্মানি কিংবা জাপানও নয়।”

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো এবং সেসব দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।

সূত্র : আলজাজিরা



ফেসবুক কর্নার