
সংসদের ভেতরে সংবিধান সংস্কার পরিষদ বিষয়ে সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, তবে কোনো কারণে সংসদের ভেতরে জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন না হলে তখন স্বাভাবিকভাবেই রাজপথে আন্দোলনে যেতে হবে। কিন্তু আমরা সেটা চাই না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আজ যেহেতু বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করেছি এবং স্পিকার তা বিবেচনায় নিয়ে নোটিশ দিতে বলেছেন, সেই ধারাবাহিকতায় এখন বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে আদালতেও আশ্রয় নেওয়া হয়েছে শুনেছি, আমি সঠিক জানি না। সেটা এখন কী হবে না হবে তিনি এই ব্যাপারে পরিষ্কার কিছু বলেনি। আমরা এটা কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকের বিষয় মনে করি না। আমরা মনে করি এটা সংসদের বিষয়, এখানে সমাধান হোক। তারপরেও যদি সেখানে কথা ওঠে আমরা দেখবো।
জামায়াত আমির বলেন, ২০২৬ সালে কোনো ভোট ছিল? এটা তো ছিল না। এই প্রেসিডেনশিয়াল অর্ডার, একই অর্ডার। এই একই অর্ডারের মাধ্যমে যেটা হয়েছে, একাংশকে সংবিধানের বাইরে গেলেও মানবেন, আরেকাংশ বাইরে গেলে মানবেন না। না মানলে দুইটাই না মানেন। আর মানলে তো দুটোই মানতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আজকে অধিবেশনের শুরুতেই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আমরা এই ব্যাপারে কথা বলার চেষ্টা করেছি। তখন স্পিকার এক ঘণ্টা পরে আমাদেরকে স্লট দিয়েছিলেন। গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা এই আদেশ, আমরা পুরাটাই সেখানে পড়ে শুনিয়েছি। আমরা বলেছি, আজকে শেষ দিন, পঞ্জিকা দিবস, এর সমাধান আমরা চাই।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা শপথ নিয়েছি। আমাদের শপথের কী হবে? যারা শপথ নেননি, তারা কখন শপথ নেবেন? সেই সংস্কার পরিষদের অধিবেশন কখন ডাকা হবে? গণভোটকে আদৌ মান্য করা হবে কিনা? শতকরা ৭০ ভাগ জনগণ সংস্কারের পক্ষে গণভোটে রায় দিয়েছে। সেই গণভোটের শেষ অবস্থানটা কী হবে?