April 27, 2026, 3:59 pm
শিরোনাম :
লামায় মৌচাক ক্রেডিট ইউনিয়নের সিইউডিসিসি কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও সেলাই মেশিন বিতরণ স্বামীকে ‘সাইজ’ করতে মিথ্যা মামলা করলে সরকার পাশে থাকবে না: আইনমন্ত্রী লেন্স যখন শিকারি: মোবাইল সাংবাদিকতা নাকি ডিজিটাল লিঞ্চিং? তৈরি পোশাক খাতে বাড়ছে সংকট, টিকে থাকতে নীতি সহায়তার জোর দাবি দিনাজপুরে কৃষি প্রণোদনায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে মুগডাল বীজ ও সার বিতরণ ভাষানী মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের সংবর্ধনা ও প্রতিনিধি সভা গোয়াইনঘাটে উন্নয়ন কাজে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ঠিকাদার আব্দুস সালাম মোর্শেদ বিরুদ্ধে নেত্রকোনা রাস্তা দখল ও বেহাল অবস্থায় বিপাকে কৃষক, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কুড়িগ্রামে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষে আহত ৬, এলাকায় উত্তেজনা মৌলভীবাজারে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

স্বামীকে ‘সাইজ’ করতে মিথ্যা মামলা করলে সরকার পাশে থাকবে না: আইনমন্ত্রী

অতনু বিশ্বাস


​নারী নির্যাতনের বিচার নিশ্চিতে রাষ্ট্র কঠোর অবস্থানে থাকলেও আইনের অপপ্রয়োগ বা কেবল ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা মেটাতে মিথ্যা মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, স্বামীকে ‘সাইজ’ করা বা শ্বশুরবাড়ির লোকদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে কোনো মিথ্যা মামলা দায়ের করা হলে সরকার সেই অভিযোগকারীর পাশে দাঁড়াবে না।
​সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপার কৃতি সন্তান ও বর্তমান আইনমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তার এই বক্তব্যের একটি সারসংক্ষেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

​আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতে আসা অধিকাংশ নারী নির্যাতনের মামলার ঘটনাই পরবর্তীকালে তদন্তে বা বিচার প্রক্রিয়ায় মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়। আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানো এখন এক ধরণের প্রবণতায় পরিণত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক অশান্তির কারণে প্রতিপক্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এসব বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়।

​মন্ত্রী তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন:
​”আইন তৈরি করা হয়েছে নির্যাতিতাকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য, কাউকে অযথা হয়রানি করার জন্য নয়। যারা আইনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নির্দোষ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলছে, তারা রাষ্ট্রের কোনো সহানুভূতি পাবে না।”

​তিনি আরও জানান যে, প্রকৃত নির্যাতিত নারীরা যেন দ্রুত ন্যায়বিচার পান, সরকার সেদিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে মিথ্যা মামলার কারণে বিচারব্যবস্থার ওপর যে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং নিরপরাধ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

​শৈলকুপার গর্বিত এই সন্তানের এমন সোজাসাপ্টা ও ন্যায়নিষ্ঠ অবস্থানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, পারিবারিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং আইনের মর্যাদা রক্ষা করতে এমন বাস্তবধর্মী বার্তার প্রয়োজন ছিল।
​আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতে মিথ্যা মামলার প্রবণতা কমাতে এবং এর সাথে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করছে সরকার



ফেসবুক কর্নার