June 5, 2026, 12:01 pm
শিরোনাম :
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফের নদীতে বাস, অল্পের জন্য বেঁচে গেল চালক-হেলপার দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে গেল বাস  ৭বছরের শিশি ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটু ‘নিতে ধর্ষকের মৃত্যু বিশ্বজুড়ে এল নিনোর শঙ্কা, কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে খুলনায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল খাল সংস্কারে গতি, কৃষকদের স্বস্তি; কাজ পরিদর্শনে এমপি জাহাঙ্গীর আলম অনলাইন জুয়া ও বিভিন্ন মামলায় ৬ জন গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ ইসলামি ব্যাংকের গ্রাহকদের মানববন্ধন, আমানতের সুরক্ষা ও চেয়ারম্যান অপসারণের দাবি ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত দুই কিশোর, সুস্থতা কামনায় এলাকাবাসীর দোয়া বিজয়নগরে ২০ কেজি গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার

টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জে হাওরে তলিয়ে গেল বোরো ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক

অভয়নগর প্রতিবেদক

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় টানা বর্ষণে হাওরের পাকা বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। কয়েকদিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন হাওরের হাজার বিঘা জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে উপজেলার নলুয়া, মই ও পিংলা হাওড়সহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। অনেক স্থানে ধানের শীষের মাথা সামান্য পানির ওপর ভাসতে দেখা যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে কৃষকরা কোমরসমান পানির মধ্যে নেমে ধান কাটার চেষ্টা করছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বড় একটি অংশ এনজিও ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। অনেকেই বর্গাচাষি হওয়ায় ফসলহানির সঙ্গে সঙ্গে ঋণ পরিশোধ নিয়েও চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। শ্রমিক সংকট এবং পানির কারণে হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার সম্ভব না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
নলুয়া হাওরের কৃষক জমশেদ আলী জানান, তিনি ১০ কেদার জমিতে ধান আবাদ করেছিলেন। এর মধ্যে মাত্র ৩ কেদার ফসল তুলতে পেরেছেন, বাকিটা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অপর কৃষক সাদ্দেক মিয়া বলেন, শ্রমিক না পাওয়ায় সময়মতো ধান কাটতে পারেননি, এখন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ বলেন, “উপজেলার প্রায় ৬০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। তবে নিম্নাঞ্চলের অনেক জমি পানির নিচে রয়েছে। শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকরা সমস্যায় পড়েছেন। স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের মাধ্যমে সহায়তার চেষ্টা চলছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসলাম উদ্দিন বলেন, “আমরা নিয়মিত হাওর পরিদর্শন করছি। কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”
এদিকে টানা বৃষ্টিতে ফসলহানির আশঙ্কায় হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও হতাশা বিরাজ করছে।



ফেসবুক কর্নার