June 27, 2026, 9:21 pm
শিরোনাম :
পাগলির মেলা: শত বছরের ঐতিহ্যে ইতিহাস, বিশ্বাস ও গ্রামীণ সংস্কৃতির মিলন ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল নারীর, আহত আরও দুই নওগাঁর আম এবার যুক্তরাষ্ট্রে, বিশ্ববাজারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার কালীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ভিডিও ঘিরে আলোচনা, তদন্তের দাবি ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: গণধোলাই দিয়ে ধর্ষক পুলিশে সোপর্দ,  বিশেষ অভিযানে রামপালে যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার শ্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে অনশন, কেন্দুয়ায় আলোচনায় তরুণীর অবস্থান সীমান্তবর্তী দৌলতপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য দেশে গাঁজা ব্যবহারে উদ্বেগ, তরুণদের মধ্যে আসক্তির ঝুঁকি বাড়ছে রাজধানীর শাহবাগে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

আখাউড়া স্থলবন্দরে প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্য ধ্বংস

সেলিম ব্যুরো প্রধান ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে জব্দ করা প্রায় তিন থেকে চার কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে আখাউড়া স্থলবন্দরের কাস্টমস এলাকায় নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভেকু দিয়ে গর্ত করে এসব পণ্য বিনষ্ট করা হয়।
কাস্টমস সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের সময় এবং শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে জব্দ করা পণ্যগুলো দীর্ঘদিন গুদামে সংরক্ষিত ছিল। পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ধ্বংস কমিটির উপস্থিতিতে এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।
ধ্বংসকৃত পণ্যের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশই ছিল ভারতীয় আতশবাজি। এছাড়া জরদা, সিগারেট, কসমেটিকস, পোশাকসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যও ছিল। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় তিন থেকে চার কোটি টাকা।
আখাউড়া কাস্টমসের সহকারী কমিশনার মো. আতিকুর রহমান জানান, জব্দ করা পণ্যের বেশিরভাগই আমদানি নিষিদ্ধ বা অনুপযোগী ছিল। এর মধ্যে আতশবাজি, শাড়ি-লুঙ্গি এবং কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যও রয়েছে। কাস্টমসের ধ্বংস কমিটির মাধ্যমে সেগুলো যথাযথ নিয়ম মেনে ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ পণ্য আমদানি প্রতিরোধে কাস্টমসের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং চোরাচালান রোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।
ধ্বংস কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার ফাহাদ আল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার, জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক খালিদ ইবনে সাদেকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।



ফেসবুক কর্নার