
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা। ভোলার মোড় (বর্তমান শাপলা চত্বর) থেকে থানার মোড় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তার ওপর জমে থাকা কর্দমাক্ত পানি ও গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। স্থানীয় বাসিন্দা মো. শান্ত জানান, কাদা-পানিতে পিছলে পড়ে তার কাপড় নষ্ট হয়েছে। তিনি বলেন, “এখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলে এমন ভোগান্তি হতো না।”
অপর পথচারী আতাউর রহমান বলেন, “এ এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার পাশাপাশি কোনো পাবলিক টয়লেটও নেই। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।”
জলাবদ্ধতার কারণে ব্যবসায়ীদেরও ভোগান্তি বাড়ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রাব্বি, আমজাদ আলী ও জাহাঙ্গীর হোসাইনসহ অন্যরা জানান, কাদা-পানির কারণে ক্রেতারা দোকানে আসতে চান না, ফলে ব্যবসায়িক ক্ষতি হচ্ছে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার প্রতিনিধি মো. মাহবুব আলম বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক সংস্কার নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
সচেতন মহল বলছে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পাবলিক টয়লেট না থাকায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলে।