May 10, 2026, 7:42 pm
শিরোনাম :
মান্দায় বিশেষ অভিযানে ৩০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ২ বরিশালে আবাসিক হোটেলে রহস্যজনক মৃত্যু: যৌনউত্তেজক সিরাপেই প্রাণ গেল দুই সন্তানের জনকের! কালীগঞ্জে ইউপি অফিসে স্বামী-স্ত্রীর আধিপত্যের অভিযোগ, ক্ষোভ সেবাগ্রহীতাদের ঝুঁকিপূর্ণ ফানাই সেতুতে ভোগান্তি, আতঙ্কে ১৫ হাজার মানুষ রৌমারীতে চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ; অবরুদ্ধ পঞ্চু মিয়ার পরিবার কুড়িগ্রামে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন ত্রাণমন্ত্রী দুলু পরিবর্তনের প্রত্যয়ে এগিয়ে তরুণ সমাজসেবক রাহাত হাসান জুয়েল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেকু-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, ঢাকায় পাঠানো হলো ৪ আহতকে নেত্রকোনায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু, তদন্তে প্রেমঘটিত মানসিক চাপে ইঙ্গিত কসবা সীমান্তে চোরাচালান সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, দুই সহযোগী আটক

ঝুঁকিপূর্ণ ফানাই সেতুতে ভোগান্তি, আতঙ্কে ১৫ হাজার মানুষ

তরিকুর রহমান কুলাউড়া মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর-হাসিমপুর সড়কে ফানাই নদীর ওপর নির্মিত একটি পাকা সেতু দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। সেতুর মাঝামাঝি অংশ দেবে যাওয়ার পাশাপাশি সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে পড়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় ২৪ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করে। কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পুরশাই, ভাতগাঁও ও দেওগাঁও, কর্মধা ইউনিয়নের হাসিমপুর এবং রাউৎগাঁও ইউনিয়নের নর্তন, কবিরাজী ও পালগ্রামসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এই সেতু।
প্রতিদিন শত শত মানুষ রাঙ্গিছড়া বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য সেতুটি ব্যবহার করেন। তবে কয়েক বছর ধরে সেতুর মাঝখানের অংশ দেবে যাওয়ায় এবং সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২০২১-২২ অর্থবছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ফানাই নদীর প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকায় পুনঃখনন কাজ চালায়। এ সময় অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীতে তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হলে সেতুর মাঝখানের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সড়কের একটি অংশ ধসে পড়ে।
বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্য দিয়েই সিএনজি অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও রোগীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।
স্থানীয়রা জানান, এলজিইডি ও পাউবো একে অপরকে দায়ী করলেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এতে করে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণ ও ধসে পড়া সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা প্রকৌশলী ও এলজিইডির কর্মকর্তা প্রীতম সিকদার জয় বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর তালিকা করে ‘আন্ডার ১০০ মিটার ব্রিজ’ প্রকল্পে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য অবগত আছেন এবং প্রয়োজনীয় তদবির চলছে।”
তবে এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।



ফেসবুক কর্নার