June 24, 2026, 3:02 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি প্রধান আসামি, পীর শামীম হত্যা মামলায় তদন্তে অগ্রগতির দাবি

তানভীর আজাদ স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আলোচিত পীর শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমান হত্যা মামলার এক মাস পার হলেও মামলার প্রধান আসামিসহ এজাহারভুক্ত আরও কয়েকজন এখনো অধরা রয়েছেন। একই সঙ্গে হামলার সময় দরবার শরিফ থেকে লুট হওয়া মালামালও উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির দাবি করেছে পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে নতুন গতি এসেছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার প্রধান আসামি খাজা আহম্মেদ (৩৬) কুষ্টিয়া জেলা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য। বিভিন্ন সূত্রে তিনি উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে রয়েছেন বলে জানা গেলেও পুলিশের কাছে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নথি পৌঁছেনি।
এজাহারভুক্ত আরও দুই আসামি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের দৌলতপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ (৪৮) এবং সিহাব ওরফে সাফি (৪৫) এখনো পলাতক রয়েছেন।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল রাতে মামলার তিন নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি রাজিব মিস্ত্রি ওরফে কিলার রাজিবকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। একই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন আলমগীর হোসেন (১৬), বিপ্লব হোসেন (২৬) ও আলিফ ইসলাম (২৩)।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, রিমান্ডে থাকা বিপ্লব ও আলিফ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। আটক কিশোর আলমগীরকে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) শেখ মোহাম্মদ আলী মর্তুজা বলেন, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত অনেককে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রধান আসামির জামিনের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পাইনি।”
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল দৌলতপুর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পীর শামীম জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে হত্যা করা হয়। পরে দরবারে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
ঘটনার তিন দিন পর নিহতের বড় ভাই ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান সান্টু দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।



ফেসবুক কর্নার