June 24, 2026, 4:23 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

গোপালগঞ্জে ৪২ মণ ওজনের ‘কালা পাহাড়’ দেখতে মানুষের ভিড়

ইসরাফিল খান কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশাল আকৃতির গরু ‘কালা পাহাড়’। উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের টুপুরিয়া গ্রামের এই গরুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ। বিশাল দেহ, ব্যতিক্রমী গড়ন ও শান্ত স্বভাবের কারণে ইতোমধ্যেই এলাকায় বেশ পরিচিতি পেয়েছে গরুটি।
গ্রাম্য পশুচিকিৎসক মনিরুজ্জামান মৃধা প্রায় পাঁচ বছর ধরে গরুটিকে নিজ বাড়িতে লালন-পালন করছেন। খামারির দাবি, হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির ওজন প্রায় ৪২ মণ, উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট।
সাদা-কালো রঙের গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘দক্ষিণ বঙ্গের কালা পাহাড়’। স্থানীয়দের অনেকে এটিকে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বড় গরু বলেও উল্লেখ করছেন।
খামারি মনিরুজ্জামান মৃধা জানান, পাঁচ বছর আগে নড়াইলের পহরডাঙ্গা হাট থেকে ছোট অবস্থায় গরুটি কেনেন তিনি। এরপর থেকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে বড় করে তোলা হয়েছে। প্রতিদিন গরুটির খাবার ও পরিচর্যায় প্রায় এক হাজার টাকা ব্যয় হয়। খাদ্য তালিকায় রয়েছে গমের ভুষি, চালের গুঁড়া, খড়, সয়ামিলের ভুষি, ভুট্টার গুঁড়া ছাড়াও আপেল, মাল্টা ও কমলালেবু।
তিনি বলেন, “কোরবানির ঈদ উপলক্ষে গরুটি বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছি। তবে ন্যায্য দাম পেলেই বিক্রি করবো।”
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদ সামনে রেখে গরুটির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যদের কাছেও গরুটি এখন পরিবারেরই একজন সদস্যের মতো হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত যত্নে গরুটিকে বড় করা হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে গরুটি দেখছেন ও ছবি তুলছেন। শান্ত স্বভাবের হওয়ায় গরুটিকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় বলেও জানান তারা।
প্রতিবেশী মানিক শেখ বলেন, “এই গরুটি এখন আমাদের এলাকার গর্ব। অনেক যত্ন করে বড় করা হয়েছে। আশা করছি, ঈদে ভালো দাম পাওয়া যাবে।”
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিরাজ হোসেন বলেন, “উন্নত প্রজনন ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বড় আকারের গরু উৎপাদনে খামারিরা সফল হচ্ছেন। ‘কালা পাহাড়’ তারই একটি উদাহরণ।”
তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত এখন সম্ভাবনাময় খাতে পরিণত হয়েছে। পরিকল্পিত খামার ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করলে এ খাত গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



ফেসবুক কর্নার