June 24, 2026, 3:01 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

নড়াইলে ১৪ বছরের স্থবির কম্পিউটার শিক্ষা: পীযূষ কান্তি ঘোষ ও বিদ্যালয় প্রশাসনের জবাবদিহি কোথায়?

অভয়নগর প্রতিবেদক

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৃতীয় পর্ব

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রামের দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর ধরে কম্পিউটার শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার অভিযোগকে ঘিরে নতুন নতুন প্রশ্ন সামনে আসছে। স্থানীয়দের মতে, বিষয়টি শুধু একজন শিক্ষকের অনুপস্থিতির ঘটনা নয়; বরং বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক তদারকি, জবাবদিহি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ও এখন আলোচনায় এসেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটার শিক্ষা কার্যক্রম কার্যত অচল থাকলেও শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়নি। প্রশ্ন উঠেছে— যদি একজন শিক্ষক দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, পরিচালনা কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল? আদৌ কোনো লিখিত প্রতিবেদন, কারণ দর্শানোর নোটিশ বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে ধোঁয়াশা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে একাধিক ব্যাচের শিক্ষার্থী ক্ষতির মুখে পড়েছে। বর্তমান সময়ে কম্পিউটার শিক্ষা যেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যাবশ্যক, সেখানে দীর্ঘদিন এ কার্যক্রম বন্ধ থাকাকে শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, শুধু ঘটনা প্রকাশ পেলেই হবে না; বরং এর পেছনে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি বেতন উত্তোলন করেছিলাম, পরে তা ফেরত দিয়েছি।” তবে কেন বেতন উত্তোলন করা হয়েছিল, কোন প্রক্রিয়ায় তা ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং এত দীর্ঘ সময়ের ঘটনায় বিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল— সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং দ্রুত বিদ্যালয়ে নিয়মিত কম্পিউটার শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে হবে।
জাতীয় দৈনিক অভয়নগরের অনুসন্ধান টিম এ সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, তথ্য ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।
(চলবে)



ফেসবুক কর্নার