June 24, 2026, 5:33 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

ধলেশ্বরীর ভাঙনে হুমকিতে কুস্তা গ্রাম, বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কায় হাজারো মানুষ

শাহিন মিয়া মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ঘিওর সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কুস্তা গ্রামে ধলেশ্বরী নদীর তীব্র ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নদীর করাল গ্রাসে কুস্তা গ্রামসহ ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলার তিন থেকে চারটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ এখন চরম হুমকির মুখে রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ধলেশ্বরী নদীর প্রবল স্রোতে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে রয়েছে মসজিদ, মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কুস্তা গ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়া সড়কটি ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলার একাংশের মানুষের জন্য জেলা সদর ও উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এই সড়ককে কেন্দ্র করেই এলাকার শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হলে দুই উপজেলার হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগ ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়বেন।
এলাকাবাসী জানান, ইতোমধ্যে ভাঙনের কারণে কয়েকটি স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং নদী আরও অগ্রসর হলে গ্রামের বড় একটি অংশ মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের দাবি, দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা এবং কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে।
এদিকে বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যের নজরে এলে তার নির্দেশনায় মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে। পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তারা স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে জানান, আগামী এক মাসের মধ্যে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বা সাময়িক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আশ্বাসে পুরোপুরি আশ্বস্ত নন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, এক মাস অপেক্ষা করার মতো পরিস্থিতি নেই। কয়েক দিনের মধ্যেই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে কুস্তা গ্রাম, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং যোগাযোগের একমাত্র সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ধলেশ্বরীর ভয়াল ভাঙন থেকে জনপদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ ব্যবস্থা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ঘিওর ও দৌলতপুরবাসী।



ফেসবুক কর্নার