ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার সুযোগ পান বলিউডের মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। এমন সুযোগকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা বলে মনে করেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রীড়া আসরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে পারফর্ম করা যে তাকে শিল্পী হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করেছে, তা স্বীকার করেন নোরা ফাতেহি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা উঠল বিশ্বকাপের। কলম্বিয়ার পপতারকা শাকিরার গান, নাচ ও নাইজেরিয়ার পপতারকা বার্না বয়ের গান এবং কানাডায় নোরা ফাতেহির নাচ ও গানে জমকালো হয়ে রইল অনুষ্ঠান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোরা ফাতেহি ‘সির সির’ গানটি গেয়েছেন। যার অর্থ হচ্ছে- এগিয়ে চলা। তবে তার এই গানের অনুপ্রেরণা তিনি পেয়েছেন আফ্রিকার মরক্কোয় ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে। নোরা বলেন, ওই ম্যাচগুলোর সময় আমি স্টেডিয়ামে প্রায় প্রতিটি খেলাতেই দেখতাম ৭০ হাজার দর্শককে ‘সির সির’ স্লোগান দিতে। এ স্লোগানে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। এর পরেই আমাকে আমার প্রযোজক সঞ্জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং এ স্লোগানটি ব্যবহার করে একটি বিশ্বকাপ সংগীত তৈরি করতে অনুরোধ করেছিলাম তাকে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নোরা ফাতেহি বলেন, বিশ্বকাপে এমন অভিজ্ঞতা তার শিল্পীসত্তাকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। একই মঞ্চে শাকিরা, বার্না বয়, কেটি পেরির মতো আন্তর্জাতিক তারকার সঙ্গে নাম উচ্চারিত তার। এটা গর্বের বিষয়। তিনি এ জায়গা পৌঁছাতে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন বলেই জানিয়েছেন নোরা ফাতেহি।
অভিনেত্রী বলেন, যখন বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্নধর্মী সুর এবং শিল্পচর্চা এক জায়গায় মিলিত হয়, তখনই বোঝা যায়- মানুষের মধ্যে সংযোগ গড়ে তুলতে সংগীত কতটা শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। শাকিরা, বার্না বয় বা এমন কোনো শিল্পী, যাদের সৃজনশীল ভাবনা একে অপরের সঙ্গে মেলে, তাদের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রেই প্রকৃত জাদু তৈরি হয়। কারণ ভিন্ন ভিন্ন জগত একসঙ্গে এসে যখন নতুন কিছু সৃষ্টি করে, তখনই জন্ম নেয় অপ্রত্যাশিত এবং স্মরণীয় মুহূর্তের।