গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যা: এক বছরেও বিচার না হওয়ায় দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে মানববন্ধন
সাব্বির হোসাইন
Update Time :
Friday, August 7, 2026
/
25 Time View
/
Share
গাজীপুরের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডের এক বছর পূর্তিতে দ্রুত বিচার আইনের আওতায় মামলার নিষ্পত্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চান্দনা চৌরাস্তার ‘তুহিন চত্বরে’ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি নিহত তুহিনের ছয় বছর বয়সী ছেলে তৌকিরও অংশ নেয়। বিচারের দাবিতে শিশুটির উপস্থিতি সেখানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। মানববন্ধনে প্রদর্শিত ব্যানারে লেখা ছিল, “৭ আগস্ট সাংবাদিক তুহিন হত্যার এক বছর, বিলম্ব নয়—দ্রুত বিচার আইনে বিচার করতে হবে।”
বক্তারা বলেন, সাংবাদিক হত্যা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মানুষের তথ্য জানার অধিকারের ওপর আঘাত। তারা তুহিন হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিএমএসএফ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর বলেন, “আমরা শুধু তুহিনের বিচার নয়, দেশের সব সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবিতে রাজপথে নেমেছি। বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে সাংবাদিকরা নিরাপত্তাহীনতায় থাকবেন।”
এ সময় বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন, ঢাকা জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবুল কাশেম তালুকদার এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেতা সিকান্দার আলী বাবুলসহ বিভিন্ন সাংবাদিক নেতা বক্তব্য দেন।
দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মো. খায়রুল আলম রফিক বলেন, তুহিন হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন হলে তা দেশে সাংবাদিক সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
এক বছর আগে চান্দনা চৌরাস্তায় নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন। সেই স্থানেই দাঁড়িয়ে সহকর্মীরা আবারও দাবি জানান, বিচার প্রক্রিয়ায় আর কোনো বিলম্ব নয়—দ্রুত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সাংবাদিককে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়