June 4, 2026, 2:14 am
শিরোনাম :
ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধর , চালক আটক টাঙ্গাইলে মাদকসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক কুখ্যাত মাদক কারবারি ছবুর মহাসড়ক যখন ধান শুকানোর চাতাল: রৌমারীতে বাড়ছে মৃত্যুফাঁদের ঝুঁকি কটিয়াদীতে এ.কে বাশার রতন হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ফের হামলার অভিযোগ, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের আয়োজনে ৫৩৫তম স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্সের উদ্বোধন বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে ঝিনাইদহে র‌্যালি ও সচেতনতামূলক আলোচনা ভোররাতের আগুনে পুড়ল হোটেল ও তেলের দোকান, ক্ষতি প্রায় ৫০ লাখ টাকা দুস্থদের মাঝে ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ মায়ের কঙ্কালসার দেহ আর সফল সন্তানদের বিবেক: এক নির্মম সামাজিক বাস্তবতা নওগাঁয় মাদক ব্যবসার অভিযোগে ক্ষোভ, অভিযুক্ত নারীকে ঘিরে প্রশ্ন

একটি দল মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের সম্পত্তি ভেবে নিয়েছিলো: জমায়াত আমির

মোঃ ইসমাইল হোসেন

পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যের কারণে দেশের মানুষ তাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছিলো, ফলে ১৯৭০ সালে ভোটের পর যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠে।মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের সম্পত্তি ভেবে নিয়েছিলো একটি দল, বাকি সব মানুষকে বানানো হয়েছিলো দাস- এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুব ম্যারাথনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ৪৭ সালে আজাদী পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীরা পূর্ব পাকিস্তানের সাথে বৈষম্য করার কারণে এদেশের মানুষ তাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছিলো। সেদিন যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিলো। দেশের সব মানুষ একাট্টা হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো।
জামায়াতের আমির বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে শাসকগোষ্ঠী কথা রাখতে পারেননি। মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা। একটি দল নিজেদের সম্পত্তি ভেবে নিয়েছিলো। বাকি সব মানুষকে বানানো হয়েছিলো দাস। বহুদলীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছিলো। মৌলিক মানবিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিলো। রক্ষী বাহিনীর নাম করে গড়ে তোলা হয়েছিলো জল্লাদ বাহিনী। এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিলো।

বিদেশ থেকে আসা ত্রাণ আগেই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৭৪’র দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম সে সময় ঢাকার লাশ দাফন করেছে। সোনার বাংলার নাম করে শ্মশান বানিয়েছিলো। তাদের কার্যক্রমের পরিণতি হিসেবে তাদেরকে  দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হয়েছিলো। দেশপ্রমিক সেনাসদস্যরা কেনো তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলো, সে উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে।
৩ দফায় বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসেছিলো আওয়ামী লীগ। তারা শুধু ছোপ ছোপ রক্ত আর কাড়ি কাড়ি লাশ উপহার দিয়েছে। ৯৬ সালে তারা দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলো। মানুষ তাদের ক্ষমা করে ক্ষমতায় বসিয়েছিলো। চেয়ারে বসেই তারা ফিরেছিলো পুরনো চেহারায়।
লগি বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করেছে তারা। তারা পশুর মতো আচরণ করেছে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় বসেই বিডিআর হত্যা, শাপলা চত্বরে নৃশংসতা করেছে। একটা প্রতীকে ভোট দেওয়ার অপরাধে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে একজন নারীর ওপর বর্বরতা চালানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, খুন ধর্ষণ আর আয়নাঘরের রাজনীতি করার জন্য তাদের পালাতে হয়েছে। ফ্যাসিবাদীরা পালিয়ে গিয়েও শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। ওসমান হাদির ওপর হামলা তার প্রমাণ। আল্লাহ হাদিকে ফিরিয়ে দিন।
অতীতের বস্তাপঁচা রাজনীতি পায়ের তলায় ফেলে দিতে চাই। বাংলাদেশে নতুন রাজনীতি করতে হবে। রাজনীতি হতে হবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে। চাঁদাবাজ আর দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে হবে রাজনীতি। শান্তির বাংলাদেশ চাই আমরা। যুব সমাজের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
কোনও ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, যুবকরা সব বাধা ভেঙে ফেলবে। কালো টাকার বিনিময়ে মানুষ কেনার দিন শেষ। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ নতুন বাংলাদেশের মোড়ক উন্মোচন হবে। প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ, আপনাদের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করুন। ইসিকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো আনুকুল্য চাই না, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করুন।



ফেসবুক কর্নার