April 25, 2026, 2:44 am
শিরোনাম :
আইনমন্ত্রীর কড়া বার্তা: বিচার ব্যবস্থায় অনৈতিকতা বরদাস্ত নয় পরিত্যক্ত স্কুল ভবনে মাদক আসর, আতঙ্কে মণিরামপুরের স্থানীয়রা জকসুকে দলীয় কর্মসূচিতে ব্যবহারের অভিযোগে প্রতিবাদ ছাত্রদল-সমর্থিত প্রতিনিধিদের টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ মানবপাচারকারী আটক অষ্টঘরিয়ায় পাপ্পু ক্রীড়া চক্রের ফুটবল টুর্নামেন্টে বাহাদিয়া ক্লাবের জয় কলেজের শিক্ষিকাকে পেটানো ও ভাঙচুরের ঘটনা’য় বিএনপি নেতাকে-বহিষ্কার ওয়ারিশ গোপন করে জমি বিক্রির অভিযোগ, কালীগঞ্জে প্রতারণার শিকার ক্রেতা আধুনিকতার পিঠে মধ্যযুগ: রৌমারীতে জ্বালানি সংকটে ফিরছে ‘ঢেঁকি কল’ নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে উঠে আহত বহু যাত্রী আইডি যাচাইয়ে ন্যায্যমূল্যে ডিজেল পেয়ে স্বস্তিতে চুয়াডাঙ্গর কৃষকরা

যেভাবে হানাদারমুক্ত হয় বান্দরবান

Reporter Name

বান্দরবান প্রতিনিধি 

১৯৭১ সালের বিজয়ের একদিন আগে ১৪ ডিসেম্বর বান্দরবান পার্বত্য জেলা (তৎকালীন বান্দরবান মহকুমা) থেকে পাক-হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে ১৪ ডিসেম্বর ঘোষিত হয় বান্দরবান হানাদারমুক্ত দিবস।

১৯৭১ সালে নভেম্বর মাসে প্রথম সপ্তাহে হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ শুরু করে বান্দরবানের দুর্গম গহিন অরণ্যে, যা বর্তমান রোয়াংছড়ি উপজেলা নোয়াপতং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আন্তাহা পাড়া, কানাইজো পাহাড়ি এলাকা।

১৯৭১ সালের ১৬ নভেম্বর ভোর ৪টায় মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর শুরু হয় শত্রুবাহিনীর আক্রমণ। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দেন তৎকালীন ইপিআরের সুবেদার মেজর তাহের মোহাম্মদ আলী ওরফে টিএম আলী (অবাঙালি-বিহারি) প্রায় চার ঘণ্টা যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধ থামে সকাল ৮টায়। কানাইজো পাড়ার গ্রামবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী মং চউ মারমার তথ্যমতে ১৫ নভেম্বর সারা রাত পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ চলে মুক্তিযোদ্ধাদের। সেই যুদ্ধে শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার সুবেদার মেজর টিএম আলী। পরবর্তী সময়ে বান্দরবানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুক্তিযোদ্ধারা একত্রিত হয়ে হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করেন। এরপর ১৪ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত হয় বান্দরবান পার্বত্য জেলা।

১৪ ডিসেম্বর বান্দরবান হানাদারমুক্ত দিবস ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। 

বান্দরবান পার্বত্য জেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক ক্যাপ্টেন (অব.) আবুল কাশেম চৌধুরী বীর প্রতীক জানান, তৎকালীন বান্দরবান মহকুমা প্রশাসক শুক্কুর আলী, বান্দরবান বোমাং সার্কেল চিফ বোমাংগ্রী রাজা মংশৈ প্রু চৌধুরী ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবল চন্দ্র মুহুরীর নেতৃত্বে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে ১৪ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয় বান্দরবান হানাদারমুক্ত দিবস।

বান্দরবান জেলায় স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ একমাত্র খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা তাহের মোহাম্মদ আলী (টিএম আলী) বীর প্রতীকের স্মৃতি রক্ষার্থে তার শহীদ হওয়া স্থানটিতে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করার দাবি জানিয়েছেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক ক্যাপ্টেন (অব.) আবুল কাশেম চৌধুরী বীর প্রতীক



ফেসবুক কর্নার