April 25, 2026, 3:18 pm
শিরোনাম :
টেকনাফে বিদেশি পিস্তল ও অস্ত্রসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী আটক লংগদুতে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা ও ফার্মাসিস্ট আটক নিখোঁজের পর উদ্ধার ব্যাংক কর্মকর্তা শিশির, স্বস্তি ফিরছে পরিবারে ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী হত্যা: গহনা লুটের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক ব্রজলাল কলেজ কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার, মান্দায় ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা বিতরণ কালীগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ১৬৪৯ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক কারবারি আটক নলতায় উচ্ছেদের পরও সড়কের জমি দখল করে ফের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ রামপালে ভুয়া ফেসবুক আইডিতে অপপ্রচার: সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি বোরো ধানে লোকসান, ডুমুরিয়ায় কৃষকের মুখে নেই হাসি

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুর বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, প্রশ্ন উঠেছে ক্ষমতার অপব্যবহারের

অভয়নগর প্রতিবেদক

সাতক্ষীরা আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাচ্চুর নিয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও প্রশাসনে বিতর্ক থামছে না। একসময়ের আ’লীগ নেতা পরিচয়ে এলাকায় দাপট দেখানো বাচ্চু বর্তমানে নিজেকে বিএনপি নেতা দাবি করছেন। তবে স্থানীয় বিএনপি ও সাধারণ জনগণ তার পরিচয় পরিবর্তনকে মিথ্যাভিত্তিক ও সুবিধাবাদী হিসেবে দেখছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাচ্চু দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের সরকারি প্রকল্প ও বরাদ্দে কমিশনের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ইউপি সদস্য ও মন্দিরের সভাপতির বক্তব্য অনুযায়ী, টিআর/কাবিখা প্রকল্পের কাজ পেতে মেম্বারদের তাকে ১০–১৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। কেউ কমিশন দিতে অস্বীকার করলে কাজ বন্ধের হুমকি দিয়েছেন তিনি। প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নাম করে আরও অর্থ দাবি করার ঘটনাও ঘটেছে।
অভিযোগ রয়েছে, বাচ্চু অনলাইন জুয়া মাস্টার এজেন্ট ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ রাখেন এবং খাজরা ইউনিয়নের বালু ব্যবসায়ীরা তার কাছে মাসোয়ারা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, বাচ্চু কখনো বিএনপির কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেননি। একসময়ের আ’লীগের সক্রিয় নেতা এখন হঠাৎ বিএনপির নেতা পরিচয় দিচ্ছেন, যা দলকে কলঙ্কিত করতে পারে।
আশাশুনি উপজেলা বিএনপির এক নেতা বলেন, “স্বৈরাচার আ’লীগ সরকারের পতনের পর যে সব লোকছাত্র ও জনতার হত্যার ঘটনায় জড়িত, তারা এখন বিএনপিতে প্রবেশের চেষ্টা করছে। আমরা এ বিষয়ে সতর্ক।”
বাচ্চুর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য নেওয়া যায়নি; তার ফোন একাধিকবার রিসিভ করেননি।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের মধ্যে বাচ্চুর ক্ষমতার অপব্যবহার, সুবিধাবাদ ও ব্যক্তিগত লোভ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা প্রশাসন ও রাজনীতিতে অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা তৈরি করছে।



ফেসবুক কর্নার