April 23, 2026, 10:19 pm
শিরোনাম :
ধামইরহাটে পুলিশের অভিযানে ৬৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও ধ্বংস কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন, সপ্তাহজুড়ে সচেতনতা কর্মসূচি তীব্র গরমে অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন মাহমুদ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এগিয়ে চলা তাপস্বীর পাশে জেলা পরিষদ বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুর ২৩ বছরের কারাদণ্ড

অভয়নগর প্রতিবেদক

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুর ২৩ বছরের কারাদণ্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়। বুধবার সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এই যুগান্তকারী রায় ঘোষণা করেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আকস্মিকভাবে সামরিক শাসন জারির ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার দায়ে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

আদালতের রায়ে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লের বিতর্কিত সামরিক আইন জারির প্রক্রিয়ায় হান ডাক-সু সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছিলেন। বিশেষ করে সামরিক শাসন কার্যকর করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিসভার বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেন। আদালতের মতে, ওই বৈঠকের মাধ্যমেই একটি অসাংবিধানিক সিদ্ধান্তকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

রায় ঘোষণা করতে গিয়ে সিউল কেন্দ্রীয় জেলা আদালতের বিচারক লি জিন-গান বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে হান তার সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য চরমভাবে অবহেলা করেছেন। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড দক্ষিণ কোরিয়াকে আবার সেই অন্ধকার অতীতের দিকে ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছিল, যখন সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার এবং উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিচারকের ভাষায়, এটি দেশকে দীর্ঘ সময়ের জন্য স্বৈরতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসার পথ থেকে বঞ্চিত করতে পারত।

রায় ঘোষণার পরপরই আদালত হান ডাক-সুকে আটক করার নির্দেশ দেন। আদালত আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, মুক্ত অবস্থায় থাকলে তিনি প্রমাণ নষ্ট করতে পারেন। ৭৬ বছর বয়সী হান ইউন সুক ইয়লের মন্ত্রিসভার প্রথম সদস্য, যাকে সামরিক আইন জারির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ড দেওয়া হলো।

তবে হান সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ইউন সুক ইয়লের সামরিক আইন জারির পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছুই জানতেন না। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে একই আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, হানের এই রায় ইউন সুক ইয়লের বিরুদ্ধে চলমান বিদ্রোহ মামলার রায়ের ওপরও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।



ফেসবুক কর্নার