October 10, 2026, 4:08 am
শিরোনাম :
সড়কের বেহাল দশায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মাহমুদা মিতুর কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যা, ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারির পরীক্ষামূলক প্রকল্প, সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের- প্রতিমন্ত্রী।  ভাঙ্গায় বাসে পুলিশের অভিযান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার যাত্রী স্থানীয়নির্বাচনে শরিয়াহর পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করুন- পীর সাহেব চরমোনাই ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে দেশীয় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন জীবনসঙ্গী হিসেবে ভালো বন্ধু ও ভ্রমণপ্রিয় পাত্র চান মিমি হুথিদের পতন ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য ইয়েমেনের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, কর্মক্ষেত্রে সাফল্যে দক্ষতা জরুরি: ববি হাজ্জাজ

সাতক্ষীরায় ভাষা শহীদ আনোয়ার হোসেনকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

আবু জাফর সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ভাষা শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজন করেছে ‘সাতক্ষীরা জেলা আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি’।
সোমবার সকাল ১০টায় আশাশুনি-সাতক্ষীরা সড়কের বুধহাটা বাজার সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি সচ্চিদানন্দ দে সভার সভাপতিত্ব করেন এবং হাসান ইকবাল মামুন এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা কোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এস কে হাসান, মো. আজারুল ইসলাম, আব্দুল কালাম ও আরাফাত ইসলাম ডেনিসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা জানান, ভাষা শহীদ আনোয়ার হোসেন বুধহাটা গ্রামের সন্তান। ১৯৩০ সালে তাঁর জন্ম। শৈশবে বুধহাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন এবং পরে খুলনা জেলা স্কুল ও বিএল কলেজে অধ্যয়নকালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেন।
বক্তারা বলেন, ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ খুলনার তৎকালীন গান্ধী পার্কে ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ইশতেহার পাঠের পর গ্রেপ্তার হন আনোয়ার হোসেন। ১৯৪৯ সালে আবারও গ্রেপ্তার হন এবং রাজশাহী কারাগারে পাকিস্তান সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫০ সালের ২৪ এপ্রিল রাজশাহী কারাগারের খাপড়া ওয়ার্ডে গুলিবর্ষণে সাতজন কারাবন্দি নিহত হন; তাঁদের মধ্যে ছিলেন ছাত্রনেতা আনোয়ার হোসেন। বক্তারা উল্লেখ করেন, মাতৃভাষা রক্ষায় তাঁর আত্মত্যাগকে দেশের প্রথম ভাষা শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।
মানববন্ধনে বক্তারা দাবী করেন:
আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া।
আশাশুনি সরকারি কলেজের নামে তাঁর নামকরণ।
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তাঁর স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ।
সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়ক তাঁর নামে নামকরণ।
বক্তারা আরও বলেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আত্মত্যাগের ঘটনাগুলোও সমান গুরুত্ব পেতে হবে। আনোয়ার হোসেনের আত্মদানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিলে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ ও পূর্ণতা



ফেসবুক কর্নার