
বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে সাতক্ষীরার সদর, তালা, আশাশুনি ও দেবহাটাসহ বিভিন্ন উপজেলায় গাছে গাছে ফুটেছে আমের মুকুল। ভোরের নির্মল বাতাসে মুকুলের মিষ্টি সুবাসে জনপদ হয়ে উঠেছে প্রাণবন্ত। গ্রামবাংলার প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়া এই ঘ্রাণ মনে করিয়ে দেয় পল্লীকবি জসীম উদ্দিন–এর ‘মামার বাড়ি’ কবিতার চিরচেনা আবহ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাড়ির আঙিনা থেকে বিস্তীর্ণ আমবাগান—সবখানেই হলুদ-সবুজ মুকুলের সমারোহ। কোথাও কোথাও পাতাও ঢেকে গেছে মুকুলে। স্থানীয়রা জানান, এ বছর তুলনামূলক বেশি মুকুল এসেছে, যা ভালো ফলনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ব্যক্তি উদ্যোগে নতুন নতুন আমবাগান গড়ে ওঠায় জেলাটি আম উৎপাদনে সম্ভাবনাময় হয়ে উঠছে।
চাষিরা জানান, হিমসাগর, আম্রপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া ও ফজলিসহ বিভিন্ন জাতের আমগাছে ইতোমধ্যে মুকুল এসেছে। রোগবালাই প্রতিরোধে চলছে পরিচর্যা ও স্প্রে কার্যক্রম। বাগান মালিক মোহাম্মদ আলী বলেন, “গাছভর্তি মুকুলই আমাদের স্বপ্ন ও আশা।” প্রকৃতির এ সৌন্দর্যে গ্রামাঞ্চলে বইছে উৎসবের আমেজ, আর কৃষকের চোখে জেগেছে সোনালি দিনের প্রত্যাশা।