April 27, 2026, 2:24 pm
শিরোনাম :
লেন্স যখন শিকারি: মোবাইল সাংবাদিকতা নাকি ডিজিটাল লিঞ্চিং? তৈরি পোশাক খাতে বাড়ছে সংকট, টিকে থাকতে নীতি সহায়তার জোর দাবি দিনাজপুরে কৃষি প্রণোদনায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে মুগডাল বীজ ও সার বিতরণ ভাষানী মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের সংবর্ধনা ও প্রতিনিধি সভা গোয়াইনঘাটে উন্নয়ন কাজে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ঠিকাদার আব্দুস সালাম মোর্শেদ বিরুদ্ধে নেত্রকোনা রাস্তা দখল ও বেহাল অবস্থায় বিপাকে কৃষক, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কুড়িগ্রামে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষে আহত ৬, এলাকায় উত্তেজনা মৌলভীবাজারে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন দেবীগঞ্জে তেল পাম্পে উত্তেজনা: ইউএনওর ওপর হামলা, মামলা দায়ের ও গ্রেফতার অভিযান শুরু দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে নিহত অন্তত ১৩

এক অটোরিকশায় ফিরল এক পরিবারের স্বচ্ছলতা

অভয়নগর প্রতিবেদক

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার তাড়াশ সংলগ্ন এলাকায় মানবিক উদ্যোগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ভিপি আইনুল হক। তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে এক অসহায় পরিবারের জন্য একটি অটোরিকশা প্রদান করা হয়েছে, যা এখন সেই পরিবারের জীবিকার প্রধান অবলম্বন হয়ে উঠেছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করে আসা একটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে অটোরিকশার চাবি তুলে দেওয়ার পর পরিবারটির সদস্যরা নতুন আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। এলাকাবাসীর মতে, এটি শুধু একটি যানবাহন নয়—বরং একটি পরিবারের নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন।
স্থানীয়রা জানান, রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতার চর্চা নয়; বরং মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়। সংসদ সদস্যের এই মানবিক উদ্যোগ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে। অটোরিকশা পাওয়ার মাধ্যমে পরিবারটি এখন নিজস্ব আয়ের পথ তৈরি করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সমাজের বিত্তবান ও জনপ্রতিনিধিরা যদি এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাহলে অনেক পরিবারই দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে পারে।
সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ভিপি আইনুল হক বলেন, “সমাজের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার লক্ষ্য। একজন মানুষকে স্বাবলম্বী করতে পারলে সেটিই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।” তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্থানীয়দের মতে, এমন উদ্যোগ শুধু একটি পরিবারের জীবনই বদলায় না; বরং সমাজে মানবিকতার দৃষ্টান্তও স্থাপন করে। সাধারণ মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় অর্জন—এমনটাই মনে করেন এলাকাবাসী।



ফেসবুক কর্নার