June 28, 2026, 6:39 pm
শিরোনাম :
লামায় সেগুন কাঠ পাচারের অভিযোগ: ডেপুটি রেঞ্জার ও বনকর্মীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দুলাভাই বাহিনীর এক সদস্য নিহত, আটক ৩ পাগলির মেলা: শত বছরের ঐতিহ্যে ইতিহাস, বিশ্বাস ও গ্রামীণ সংস্কৃতির মিলন ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল নারীর, আহত আরও দুই নওগাঁর আম এবার যুক্তরাষ্ট্রে, বিশ্ববাজারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার কালীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ভিডিও ঘিরে আলোচনা, তদন্তের দাবি ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: গণধোলাই দিয়ে ধর্ষক পুলিশে সোপর্দ,  বিশেষ অভিযানে রামপালে যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার শ্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে অনশন, কেন্দুয়ায় আলোচনায় তরুণীর অবস্থান সীমান্তবর্তী দৌলতপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য

শিশু নিশাত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, তদন্তে নতুন অগ্রগতি

নওশেদ ভুঁইয়া ক্রাইম রিপোর্টার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার মোহনপুর এলাকায় আলোচিত শিশু নিশাত (৬) হত্যা মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন ইসহাক নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ গ্রেপ্তারকে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইসহাককে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকদিন আগে বাড়ির পাশ থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় শিশু নিশাত। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর একটি বস্তার ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ঘটনার পরপরই আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ, স্থানীয়দের বক্তব্য এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। ইসহাকের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে নজরদারিতে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্তে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।
নিহতের পরিবার এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে। এলাকাবাসীও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুত চার্জশিট দাখিল ও বিচার নিশ্চিত করতে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।



ফেসবুক কর্নার