May 14, 2026, 2:50 pm
শিরোনাম :
বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান মুকসুদপুরে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পরিচালক খয়ের উদ্দিন মোল্লা উপবন এক্সপ্রেসের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রী অপহরণ, কুয়াকাটা থেকে উদ্ধার

নয়ন

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা থেকে অপহৃত এক কলেজছাত্রীকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে ওই তরুণীকে জোরপূর্বক অপহরণ করা হয়।
ভুক্তভোগী কারিমা হাসান (১৭) চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা। এ ঘটনায় তার মা সালমা আক্তার বাদী হয়ে চরফ্যাশন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে দুলারহাট থানার বাসিন্দা মো. জাবেদকে (২২)। এছাড়া জাবেদের বাবা ছালাউদ্দিন মেম্বারসহ আরও দুই সহযোগীকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জাবেদ কলেজছাত্রী কারিমা হাসানকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল এবং বিভিন্ন সময় তাকে উত্ত্যক্ত করতো। বিষয়টি পরিবারের কাছে জানালে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
গত ৬ এপ্রিল বিকেলে বান্ধবীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে চরফ্যাশনের দুলারহাট বাজার এলাকা থেকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে নেওয়া হয় ওই কলেজছাত্রীকে। পরে তাকে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট হয়ে বরিশাল এবং সেখান থেকে প্রাইভেটকারে কুয়াকাটায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও মহিপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় জাবেদের দুই সহযোগী হাসনাইন ও মেহেদী হাসানকে আটক করা হয়। তবে মামলার প্রধান আসামি জাবেদ পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর মা সালমা আক্তার বলেন, “পরিকল্পিতভাবে আমার মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। আমি জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্তে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অপহরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদ আল ফরিদ ভুঁইয়া বলেন, উদ্ধার হওয়া কলেজছাত্রী ও আটক দুই আসামিকে থানায় আনা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।



ফেসবুক কর্নার