
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় এক গৃহবধূকে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মারধর, শ্লীলতাহানি ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২২ মে) উপজেলার জয়দিয়া পালপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোছাঃ নাজমা খাতুন (৪৫) একই এলাকার নুর আলমের স্ত্রী। অভিযুক্তরা হলেন স্থানীয় বিষে মন্ডল ও তার ছেলে হিলাল, আমির হোসেন এবং ইবরাহীম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী বিষে মন্ডল নাজমা খাতুনকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার বিকেলে ফুফাতো বোনের বাড়িতে সবজি দিতে যাওয়ার পথে বিষে মন্ডল তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, হামলাকারীরা তাকে মারধর করে আহত করে এবং তার গলার চেইন, কানের দুল ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তার শ্লীলতাহানিও করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর নাজমা খাতুন স্থানীয় সাফদারপুর পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর বাড়িতে ফেরার পর আবারও তার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয় বলে পরিবারের দাবি। এ সময় তার ভাই জসিম আহত হন।
ভুক্তভোগী নাজমা খাতুন বলেন, “আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
তবে অভিযুক্ত বিষে মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাফদারপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।