May 26, 2026, 7:08 pm
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে ৩৬ ঘণ্টায় টোল আদায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা দীর্ঘ বিরতির পর আলোচনায় পরীমণির নতুন সিনেমা ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাত ময়দান ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কাজের সংক্ষিপ্ত নোট বই উন্মোচন ইবি শিক্ষার্থীদের ভাবনায় পবিত্র ঈদুল আজহা: ত্যাগ, তাকওয়া ও মানবতার শিক্ষা জাতীয় কবি নজরুল বুঝেছিলেন জিঞ্জির ভাঙতে হলে আঘাত করতে হয়: বিদ্যুৎমন্ত্রী স্কুল ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ল কুলাউড়ার এনসি স্কুল রাঙ্গামাটিতে গণঅধিকার পরিষদের আংশিক কমিটি অনুমোদন ভূরুঙ্গামারীতে পানিতে ডুবে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু

পদ্মা সেতুতে ৩৬ ঘণ্টায় টোল আদায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা

ইসমাইল হোসেন

ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতু দিয়ে গত ৩৬ ঘণ্টায় ৬৫ হাজার ৩২৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এই সময়ে সেতু কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করেছে ৭ কোটি ২৫ লাখ ৭৯ হাজার ৭৫০ টাকা। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১২টা পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে এই টোল আদায় করা হয়।
সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের ছুটির প্রথম দিন (২৫ মে রাত ১২টা থেকে ২৬ মে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত) ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ২৮ হাজার ৪১৫টি এবং জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১৫ হাজার ৫৯৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এই সময়ে মাওয়া প্রান্তে ২ কোটি ৬৪ লাখ ২১ হাজার টাকা এবং জাজিরা প্রান্তে ২ কোটি ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা টোল আদায় হয়। অর্থাৎ প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ হাজার ৮টি যানবাহন পারাপার থেকে মোট টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা।
পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় (২৬ মে রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত) সেতুর উভয় প্রান্ত দিয়ে আরও ২১ হাজার ৩২৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৬৪ হাজার ৪৪০ টাকা। সব মিলিয়ে ৩৬ ঘণ্টায় টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকায়।
পদ্মা সেতুর পরিচালক (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন শেখ জানান, যানজট নিরসনে পদ্মা সেতু উত্তর থানার সামনে বিশেষ ‘বাস বে’ নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে একসঙ্গে ১০ থেকে ১৫টি বাস দাঁড়াতে পারায় টোল প্লাজার মুখে বিশৃঙ্খলা বা দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে না।
মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম বলেন, এক্সপ্রেসওয়েতে পুলিশের নিয়মিত টহল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ নজরদারি থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও কোনো গাড়ি দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে দেখা যায়নি।
জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী বলেন, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সিগঞ্জ প্রান্ত হয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে ফিরছেন। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি থাকলেও আধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে যাত্রীদের কোনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেতু কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত তৎপরতা অব্যাহত থাকলে এবারের ঈদযাত্রা দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য আরও স্বস্তিদায়ক হবে।



ফেসবুক কর্নার