June 28, 2026, 8:38 pm
শিরোনাম :
লামায় সেগুন কাঠ পাচারের অভিযোগ: ডেপুটি রেঞ্জার ও বনকর্মীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দুলাভাই বাহিনীর এক সদস্য নিহত, আটক ৩ পাগলির মেলা: শত বছরের ঐতিহ্যে ইতিহাস, বিশ্বাস ও গ্রামীণ সংস্কৃতির মিলন ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল নারীর, আহত আরও দুই নওগাঁর আম এবার যুক্তরাষ্ট্রে, বিশ্ববাজারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার কালীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ভিডিও ঘিরে আলোচনা, তদন্তের দাবি ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: গণধোলাই দিয়ে ধর্ষক পুলিশে সোপর্দ,  বিশেষ অভিযানে রামপালে যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার শ্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে অনশন, কেন্দুয়ায় আলোচনায় তরুণীর অবস্থান সীমান্তবর্তী দৌলতপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য

লামায় সেগুন কাঠ পাচারের অভিযোগ: ডেপুটি রেঞ্জার ও বনকর্মীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

রাসেল বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের লামা বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান সেগুন গাছ পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে সংঘবদ্ধ চক্র সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে গাছ কেটে পাচার করছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে সরকারি তদন্তের ফল এখনো প্রকাশ হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাতে রূপসীপাড়া আর্মি ক্যাম্পে ট্রান্সপোর্ট পারমিট (টিপি) যাচাইয়ের সময় সেগুন কাঠবোঝাই দুটি ট্রাক আটক করা হয়। তল্লাশির সময় কাঠ পরিবহনের বৈধ কাগজপত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, আটক হওয়া কাঠে বন বিভাগের সরকারি হাতুড়ি সিল থাকলেও কাগজপত্রে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। তারা দাবি করেন, সরকারি সিলের অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ কাঠ বৈধ দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় লামা রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার কে. এম. কবির ও বনকর্মী জুলহাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মী।
স্থানীয় পরিবেশবাদীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে লামা বনাঞ্চলে অবৈধভাবে গাছ কাটার ঘটনা ঘটছে। এতে বন উজাড়ের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে এবং পাহাড় ধস ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে ডেপুটি রেঞ্জার কে. এম. কবির ও বনকর্মী জুলহাসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।



ফেসবুক কর্নার