
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছাকাছি সত্য নিকেতন এলাকায় একটি ভবন ধসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) ও দিল্লি পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করে। ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সত্য নিকেতন ও আশপাশের এলাকায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী বসবাস করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে আসনসংখ্যা সীমিত হওয়ায় তাঁদের অনেকে পিজি (পেয়িং গেস্ট) আবাসন বা ভাড়া বাড়ির ওপর নির্ভরশীল। এলাকায় তুলনামূলক বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। ভবনধসের ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের জন্য এসব বেসরকারি আবাসনের কাঠামোগত নিরাপত্তা, ভাড়াটিয়াদের বসবাসের উপযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ একটি মামলা করেছে। তবে ভবনটির মালিক আনন্দ বনসাল পলাতক রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে ভবনটি খালি করে দেওয়া হয়েছিল। পরে প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে সেখানে আবার পিজি আবাসন চালু হয়। ফলে ভবনটি খালি করার পর কীভাবে পুনরায় সেখানে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হলো এবং বাসিন্দাদের ওঠানোর আগে ভবনটির কাঠামোগত নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর সত্য নিকেতনসহ বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে কার্যকর নজরদারির প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালো হয়েছে।