September 7, 2026, 11:32 am

যুদ্ধের অর্থ জোগাতে পর্নোগ্রাফি বৈধ করার উদ্যোগ ইউক্রেনে

অভয়নগর প্রতিবেদক

রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অর্থের জোগান বাড়াতে প্রাপ্তবয়স্ক কনটেন্ট শিল্পকে বৈধ অর্থনীতির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির আইনপ্রণেতা ইয়ারোস্লাভ ঝেলেজনিয়াকের সমর্থনে এ বিষয়ে একটি বিল পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলার কর আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার যুদ্ধ ড্রোন কেনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন তিনি। গত জুলাইয়ে বিলটি পার্লামেন্টে প্রথম ধাপে অনুমোদন পেয়েছে এবং এখন দ্বিতীয় ধাপের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
বর্তমানে ইউক্রেনে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, সংরক্ষণ ও বিতরণ আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে এ ধরনের অনলাইন কনটেন্টের সঙ্গে যুক্ত একটি বড় শিল্প গড়ে উঠেছে। কর আদায় নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতাও। আয় ঘোষণা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনগত ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে, আবার আয় গোপন করলে কর ফাঁকির অভিযোগ উঠতে পারে। ঝেলেজনিয়াক এ পরিস্থিতিকে ‘দুঃখজনক ও হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেছেন।
এদিকে কনটেন্ট নির্মাতাদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযানের অভিযোগও সামনে এসেছে। আইনজীবী লেসিয়া মিখালেঙ্কো বলেন, যুদ্ধের সময় এ ধরনের মামলায় সরকারি সম্পদের ব্যবহার অপ্রয়োজনীয়। এক নির্মাতা প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওয়েবসাইটে আবেদন করে নিজেকে করদাতা হিসেবে উল্লেখ করে অভিযোগ করেন, কর দেওয়ার পরও তাকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আবেদনটি এক সপ্তাহে ২৫ হাজারের বেশি স্বাক্ষর পায়। পরে জেলেনস্কি জানান, সংশ্লিষ্ট বৈধকরণের প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে বিবেচনা করা হবে। তবে বিলটি এখনো চূড়ান্তভাবে আইনে পরিণত হয়নি



ফেসবুক কর্নার