October 9, 2026, 2:25 pm
শিরোনাম :
কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যা, ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারির পরীক্ষামূলক প্রকল্প, সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের- প্রতিমন্ত্রী।  ভাঙ্গায় বাসে পুলিশের অভিযান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার যাত্রী স্থানীয়নির্বাচনে শরিয়াহর পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করুন- পীর সাহেব চরমোনাই ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে দেশীয় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন জীবনসঙ্গী হিসেবে ভালো বন্ধু ও ভ্রমণপ্রিয় পাত্র চান মিমি হুথিদের পতন ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য ইয়েমেনের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, কর্মক্ষেত্রে সাফল্যে দক্ষতা জরুরি: ববি হাজ্জাজ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮০

ফরিদপুর-১ আসনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে আরিফুর রহমান দোলনকে ঘিরে সমালোচনা

অভয়নগর প্রতিবেদক

ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুর রহমান দোলনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর নামে পরিচালিত একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ থেকে প্রকাশিত ধারাবাহিক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
পর্যবেক্ষকদের দাবি, দোলনের নামে পরিচালিত দুটি আলাদা পেজ থেকে দেওয়া পোস্ট ও স্ট্যাটাসে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব বক্তব্যে প্রমাণ উল্লেখ না করেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হচ্ছে না বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কথা উল্লেখ করে পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, কোনো অভিযোগ থাকলে তা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়ায় উত্থাপন করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত করতে পারে এবং প্রশাসনের ওপর অনৈতিক চাপ সৃষ্টির শামিল।
একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“এভাবে সামাজিক মাধ্যমে ধারাবাহিক অভিযোগ প্রচার করা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে।”
সমালোচকদের অভিযোগ, এসব স্ট্যাটাসে একদিকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলা হচ্ছে, অন্যদিকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উত্থাপন করে মাঠের পরিস্থিতিকে অস্থির করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও অবিশ্বাস তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষা যেমন জরুরি, তেমনি দায়িত্বশীল মন্তব্য ও আচরণও একজন প্রার্থীর নৈতিক বাধ্যবাধকতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে নির্বাচনী চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা গণতান্ত্রিক চর্চার সাথে সাংঘর্ষিক—বলেই মন্তব্য করেছেন তারা।
এ বিষয়ে আরিফুর রহমান দোলনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে নির্বাচন কমিশন কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।



ফেসবুক কর্নার