
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হয়েছে যে, ভিপি নুরুল হক নুরের পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির একটি কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো—এই দাবির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা দলীয় সিদ্ধান্তের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিএনপির কেন্দ্রীয় ও সংশ্লিষ্ট জেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, দলের কোনো ইউনিট বা কমিটি বিলুপ্ত হলে তা সাংগঠনিক কারণেই হয়ে থাকে—যার মধ্যে মেয়াদ শেষ হওয়া, সাংগঠনিক দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা কিংবা পুনর্গঠনের প্রস্তুতি অন্যতম। ভিপি নুরের পক্ষে বা বিপক্ষে কাজ করার বিষয়টি বিএনপির অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
দলীয় সূত্র আরও জানায়, বিএনপি একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজস্ব নীতি, কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হয়। অন্য কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা দলের সঙ্গে সমন্বয় বা বিরোধের ভিত্তিতে কমিটি বিলুপ্ত করার নজির নেই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, নির্বাচনী সময়কে সামনে রেখে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিএনপি নেতারা গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানিয়েছেন—যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ না করার জন্য এবং গুজবের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।