March 11, 2026, 9:37 pm
শিরোনাম :
পাবনায় টিআর প্রকল্পে ৩ লাখ টাকার রাস্তাই নেই, অনিয়মের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইরানে হামলা করার মতো ‘আর কিছুই নেই’, যুদ্ধ শেষ শিগগিরই পুরো অঞ্চল পোড়ার আগেই ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে: এরদোয়ান দোয়ারাবাজারে নিখোঁজ রাজিবের ১৮ মাস পর পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন ভারত থেকে পাইপলাইনে ৫ হাজার টন ডিজেল পৌঁছালো পার্বতীপুরে বাংলাদেশ চায় ভোট, সমরাস্ত্র বিক্রিতে জোর দিতে পারে তুরস্ক খাগড়াছড়িতে ঋণের হতাশায় ব্যবসায়ী যুবকের আত্মহত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি জমি ও ডোবা ভরাটে ৪ ড্রেজার ও ২ হাজার ফুট পাইপ বিনষ্ট, জরিমানা ৪০ হাজার নন্দীগ্রামে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করা সুলতানের পাশে ইউএনও শারমিন আরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে নির্বাচনী হাওয়া: প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও সমসাময়িক চালচিত্র

কে এম জাকির

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় ২৮ কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। রৌমারী, চিলমারী ও রাজীবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে ইতোমধ্যেই প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা এখন পুরোদমে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত।
মনোনয়ন ও প্রতীক পেলেন যারা:
নির্বাচনী লড়াইয়ে এই আসনে প্রধান দল ও জোটের প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীরা হলেন:
১. আলহাজ্ব আজিজুর রহমান – ধানের শীষ
২. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাক – দাঁড়িপাল্লা
৩. হাফিজুর রহমান – হাতপাখা
৪. শেখ মোহাম্মদ আবদুল খালেক – মই
৫. রোকনুজ্জামান শাহীন – বালতি
৬. রাজু আহমদ – কাচি
৭. কে এম ফজলুল মন্ডল – লাঙ্গল
নির্বাচনী সমীকরণ ও জনমত:
২৮ কুড়িগ্রাম-৪ আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচেতন এলাকা হিসেবে পরিচিত। এবারের নির্বাচনে বড় দলগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন আদর্শিক দলের অংশগ্রহণ ভোটারদের মধ্যে নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে। চরাঞ্চলবেষ্টিত এই এলাকায় নদী ভাঙন রোধ, কর্মসংস্থান এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই প্রার্থীদের প্রধান নির্বাচনী ইশতেহার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সমসাময়িক নির্বাচনী পরিবেশ:
২০২৬ সালের এই নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা এবার প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়নে তাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে পথসভা ও গণসংযোগে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের লড়াই হবে বহুমুখী। ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার ঐতিহ্যগত লড়াইয়ের পাশাপাশি হাতপাখা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অবস্থানও বেশ জোরালো। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ভোটের দিন পর্যন্ত।
কে,এম,জাকির



ফেসবুক কর্নার