April 23, 2026, 5:51 pm
শিরোনাম :
কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন, সপ্তাহজুড়ে সচেতনতা কর্মসূচি তীব্র গরমে অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন মাহমুদ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এগিয়ে চলা তাপস্বীর পাশে জেলা পরিষদ বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ শেরপুরে জমি দখলের অভিযোগে উত্তেজনা, জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের দাবি

পাহাড়ে মাতৃসেবায় আশার আলো বাঙালি নারী রাশেদা

Reporter Name

অসীম রায় (অশ্বিনী), বান্দরবান:
বান্দরবানের সীমান্তবর্তী উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়ি ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় প্রসবকালীন জটিলতা এবং মাতৃ–শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি এখনও প্রবল। এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেই গত এক দশক ধরে স্থানীয় বাঙালি নারী কাজী রাশেদা বেগম মাতৃসেবায় আশার আলো ছড়িয়ে চলেছেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি পরিচিত ‘রাশেদা আপা’ হিসেবে। তার সহায়তায় এ পর্যন্ত প্রায় চার হাজার শিশু নিরাপদে জন্ম নিয়েছে।
২০১২ সালে সূর্যের হাসি ক্লিনিক থেকে ধাত্রী প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে রাশেদা আপার পথচলা শুরু হয়। গর্ভবতী নারীদের সেবা দেওয়া তার কাছে শুধুই পেশা নয়; এটি মানবিক দায়িত্ব। ২০১৯ সালে জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরও তার মাতৃসেবা থেমে যায়নি, বরং আরও বিস্তৃত হয়েছে।
রাশেদা আপা রাতের আঁধারেও পাহাড়ি দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে গর্ভবতী নারীদের পাশে দাঁড়ান। বিশেষ করে যেসব দরিদ্র পাহাড়ি নারী হাসপাতালে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন, তাদের জন্য তার উপস্থিতি জীবনরক্ষাকারী হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, “মাতৃসেবা আমার নেশা। শুধু নিজের এলাকায় নয়, যেখানে ডাক পাই, সেখানেই ছুটে যাই।”
শুরুতে সূর্যের হাসি ক্লিনিকের মাধ্যমে সেবায় যুক্ত হলেও প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও তিনি থেমে যাননি। ধাত্রীগিরিকে তিনি পেশা নয়, মানবিক সেবা হিসেবে দেখেন। তার মাধ্যমে সম্পন্ন প্রতিটি প্রসব নিরাপদ হয়েছে; কখনও কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
কাজী রাশেদা বেগম চান, তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজন্মের ধাত্রীদের প্রশিক্ষণ দিতে, যাতে পাহাড়ি অঞ্চলের মাতৃসেবা আরও বিস্তৃত হয়। স্থানীয়রা তাকে শুধু একজন ধাত্রী নয়, পাহাড়ের মানুষের আশার প্রতীক হিসেবে দেখেন।



ফেসবুক কর্নার