বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী’র কেন্দ্রীয় সহকারি সম্পাদক ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গালাম পরওয়ার রবিবার সকাল ৮টায় ফুলতলার আইডিয়াল পাবলিক স্কুল ও কলেজ চত্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনোত্তর কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় দেশের পুনর্নির্মাণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার জন্য নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছিল। দলীয় হিসেবে তুলনায় কম আসন পেয়ে হতাশ নয়, জনগণ পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিয়েছে। তিনি ভোটের ফলাফলে ইঞ্জিনিয়ারিং ও সময়োপযোগী প্রকাশের কারণে কিছু দোষ থাকতে পারে, তবে তা স্থায়ীভাবে দলের মনোবল ক্ষুণ্ণ করতে পারবে না।
সমাবেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি মিয়া গালাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যে ধরনের জুলুম ও হুমকি, সমর্থকদের ওপর হামলা ও বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটছে, তা বন্ধ করা প্রয়োজন। তিনি বিএনপি ও অন্যান্য পক্ষকে সতর্ক করে বলেন, যদি সহিংসতা বন্ধ না হয়, তবে জনগণের সমর্থন নিয়ে দলের কর্মীরা আন্দোলন গড়ে তুলবে। এছাড়া তিনি দলের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা, ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং ধৈর্য্য ধারণের আহ্বান জানান।
তিনি পুনর্গণনার বিষয়েও মন্তব্য করেন। বলেন, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পুনর্গণনার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় রায় নিশ্চিত হবে। তিনি দলের সকল কর্মীকে জানান, ক্ষমতা গ্রহণ বা নির্বাচনে পরাজয় হতাশার বিষয় নয়, বরং সঠিক মনোবল ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা পুনরায় শৃঙ্খলা ও ধৈর্য্য ধারণের প্রতিশ্রুতি দেন।