March 6, 2026, 8:06 am
শিরোনাম :
জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা, আইনজীবী স্বামী আটক মাগুরায় আওয়ামীলীগ কার্যালয় সামনে পতাকা উত্তোলন আগুন ও ভাংচুর, আটক ৩ কুড়িগ্রামে নয় বছর ধরে ভাঙা ব্রিজ, যাতায়াতে আতঙ্কে ২০ হাজার মানুষ সরিষাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৪ মাদকসেবী গ্রেফতার রমজানকে ঘিরে বাজার তদারকি জোরদার: রামপালে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা আরও এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি ট্রাম্পের আনোয়ারায় গ্যাস সংকটে দুই সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ একযোগে রাশিয়ার ৪ যুদ্ধজাহাজে ভয়াবহ হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ৫ দিন ধরে ইন্টারনেট নেই ইরানে

রমজানে ফলের দামে অস্থিরতা, বিপাকে সাধারণ ক্রেতা

অতনু বিশ্বাস

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতেই ঝিনাইদহের বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের দাম বেড়ে গেছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে বিদেশি ফলের দাম কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, আর স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দেশি ফলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে ক্রেতারা জানিয়েছেন। ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ ফলের এমন ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। শহরের পায়রা চত্বরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগে ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পেয়ারা এখন ১২০ টাকা, ৫০-৬০ টাকার বরই বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। প্রতি পিস আনারস ১০০ টাকা এবং তরমুজ কেজিপ্রতি ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় ড্রাগন ফলের দাম কেজিপ্রতি ৩০০-৩৫০ টাকায় পৌঁছেছে।
বিদেশি ফলের বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। অস্ট্রেলিয়ান আপেল ৪২০ টাকা, মাল্টা ৩৫০ টাকা এবং আঙুর ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বেদানার দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ৫৮০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানকে ঘিরে অযৌক্তিকভাবে ফলের দাম বাড়ানো হয়েছে।
খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পাইকারি পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। তারা বলেন, আড়ত থেকে বেশি দামে ফল কিনতে হওয়ায় খুচরা পর্যায়ে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় বাজার তদারকি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।



ফেসবুক কর্নার