April 24, 2026, 9:05 am
শিরোনাম :
সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬: একটি যুগান্তকারী রক্ষাকবচ সালিস বৈঠকে স্কুলের দেয়াল ধসে সাবেক কাউন্সিলরসহ আহত ৩ প্রবাসী নবী হোসেনের সংসার ভাঙনের অভিযোগ, ন্যায়বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ জবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সুবিধা চালু ভুল প্রশ্নপত্র ইস্যুতে ১৭৭ শিক্ষার্থী নিয়ে শঙ্কা নেই: জেলা প্রশাসক গোবিন্দগঞ্জে বৈশাখী মেলার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড: প্রশাসনের অভিযানে আসর ভেঙে দেওয়া শিবপুরে প্রাইভেট পড়াতে অস্বীকৃতি: শিক্ষকের ওপর হামলা, আটক ২ দোয়ারাবাজারে মাদকসহ আটক মামুন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক বছরের কারাদণ্ড ধামইরহাটে পুলিশের অভিযানে ৬৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও ধ্বংস কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অভয়নগর প্রতিবেদক

বিভিন্ন ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে লক্ষ্য নির্ধারণে ত্রুটি কমিয়ে সহায়তা কার্যক্রমকে সমন্বিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করছে সরকার। আগামী ১০ মার্চ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথম ধাপে দেশের ১৩ জেলার একটি করে ওয়ার্ডে বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির প্রধান হিসেবে প্রথম শ্রেণির একজন সরকারি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে উপকারভোগী নির্বাচন ও তদারকি প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়।

এর আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড–সংক্রান্ত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন করা হবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে সহায়তা দিতে এই কার্ড ব্যবহার করা হবে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে, যা সার্বিক নীতিগত দিক তদারকি করবে।

উপকারভোগী নির্বাচনে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ব্যবহার করা হলেও আয়সংক্রান্ত তথ্য সরাসরি না থাকায় নির্ধারিত ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রথম ধাপে যে এলাকাগুলোতে কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ।

উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটিগুলো পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি বিতরণ করা হবে। নীতিমালা অনুযায়ী নারীদের পরিবারপ্রধান হিসেবে কার্ড দেওয়া হবে। তিনি আলাদা ভাতা না পেলেও পরিবারের অন্যান্য সদস্য নির্ধারিত সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

 



ফেসবুক কর্নার