June 4, 2026, 2:39 pm
শিরোনাম :
মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকেও মোটরসাইকেল চুরি, রৌমারীতে বাড়ছে বাইক চোর চক্রের তৎপরতা রামপালে হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মা-বাবার প্রতি অবহেলা রোধে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন প্রাথমিক শিক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ: চলতি বছরেই চালু হচ্ছে দেশব্যাপী মিড ডে মিল ও স্কুল ড্রেস নওগাঁয় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল স্বপ্নের ঠিকানা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি টিপু নড়াইলে ১৪ বছর কম্পিউটার শিক্ষা বন্ধ: নীরব কেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ? প্রশ্নে শিক্ষা ব্যবস্থার জবাবদিহিতা ফরিদপুরে বিষাক্ত রাসায়নিক দিয়ে মাছ নিধন, দূষিত পানিতে ভোগান্তিতে ২০ হাজার মানুষ ভাঙ্গায় পুলিশের অভিযানে ৮ পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কালীগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অভয়নগর প্রতিবেদক

বিভিন্ন ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে লক্ষ্য নির্ধারণে ত্রুটি কমিয়ে সহায়তা কার্যক্রমকে সমন্বিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করছে সরকার। আগামী ১০ মার্চ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথম ধাপে দেশের ১৩ জেলার একটি করে ওয়ার্ডে বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির প্রধান হিসেবে প্রথম শ্রেণির একজন সরকারি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে উপকারভোগী নির্বাচন ও তদারকি প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়।

এর আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড–সংক্রান্ত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন করা হবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে সহায়তা দিতে এই কার্ড ব্যবহার করা হবে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে, যা সার্বিক নীতিগত দিক তদারকি করবে।

উপকারভোগী নির্বাচনে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ব্যবহার করা হলেও আয়সংক্রান্ত তথ্য সরাসরি না থাকায় নির্ধারিত ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রথম ধাপে যে এলাকাগুলোতে কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ।

উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটিগুলো পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি বিতরণ করা হবে। নীতিমালা অনুযায়ী নারীদের পরিবারপ্রধান হিসেবে কার্ড দেওয়া হবে। তিনি আলাদা ভাতা না পেলেও পরিবারের অন্যান্য সদস্য নির্ধারিত সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

 



ফেসবুক কর্নার