May 14, 2026, 8:10 pm
শিরোনাম :
সীমান্তজুড়ে বিজিবির কঠোর নজরদারি, বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম কালীগঞ্জে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি মামলায় ৫ আসামি কারাগারে ময়মনসিংহে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট এক বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি জবির ‘মার্চ টু যমুনা’র তিন দাবি শেবাচিম হাসপাতালে অক্সিজেন খুলে নেওয়ার অভিযোগ, রোগীর মৃত্যুতে কর্মচারী বরখাস্ত ধামরাই সরকারি কলেজে ইউনিফর্ম পরে টিকটক নিষিদ্ধ, জারি সতর্কতা নোয়াখালীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নেত্রকোনায় কন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগে পিতা গ্রেপ্তার, অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ মান্দার শিক্ষার্থীদের সাফল্যে সংবর্ধনা

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা : প্রধানমন্ত্রী

অভয়নগর প্রতিবেদক

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তরে সংঘটিত ভয়াবহ সেনা হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস (২৫ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানারকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।

সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।

দেশ এবং জনগণে স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব, এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।



ফেসবুক কর্নার