
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা-র টিএনটি সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘ দুই যুগের আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে জেলা আদালত থেকে আসা প্রতিনিধি দল ও পুলিশের উপস্থিতিতে বুলডোজার দিয়ে একাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, জমিটি নিয়ে সম্রাট, মুঞ্জিল ও কোরিয়াল স্বর্ণকারগং প্রায় ২২ থেকে ২৩ বছর ধরে আদালতে মামলা চালিয়ে আসছিলেন। দীর্ঘ শুনানি ও তথ্য-প্রমাণ যাচাই শেষে আদালত তাদের পক্ষে রায় দেন। উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা আদালতের কমিশনের তত্ত্বাবধানে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
শনিবার সকালে অভিযান শুরু হলে বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা দোকানগুলো কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া অবস্থানের কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা লক্ষ্য করা গেছে। দাবিদার পক্ষের ভাষ্য, “দীর্ঘদিন আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের রায়ে আমরা আমাদের জমি ফিরে পেয়েছি।”
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদিকে জমির প্রকৃত মালিকদের ন্যায়বিচার পাওয়াকে অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন, অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদে আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ তুলেছেন। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং আদালতের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জমির সীমানা নির্ধারণ করে মালিকদের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।