
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা গ্রামের উজ্জ্বল শাহা (পিতা: লক্ষ্মণ শাহা) কর্তৃক বাংলাদেশ থেকে বিমানযোগে দুবাই ও পরে নৌপথে ইরাকে অবৈধভাবে মানুষ পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রথমে বৈধভাবে বিমানযোগে দুবাই নেওয়া হলেও সেখান থেকে ঝুঁকিপূর্ণ নৌপথে অন্য দেশে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির আশ্বাস দিয়ে প্রতিজন ভুক্তভোগী থেকে কয়েক লাখ টাকা নেওয়া হয়। বাংলাদেশ থেকে দুবাই পর্যন্ত বিমান টিকিট ও ভিসার ব্যবস্থা করা হলেও দুবাই পৌঁছানোর পর চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করে সমুদ্রপথে অন্য দেশে পাঠানো হয়। এক ভুক্তভোগী বলেন, “আমাদের বলা হয়েছিল সব কিছু বৈধ, কিন্তু দুবাই পৌঁছে বুঝলাম পরিকল্পনা ভিন্ন। পরে ভয়ংকর ঝুঁকি নিয়ে নৌপথে যেতে হয়েছে।”
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুবাই পর্যন্ত ভিসা থাকলেও সেখান থেকে অন্য দেশে নৌপথে প্রেরণ করা আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইনের পরিপন্থী হতে পারে। বিদেশে জনশক্তি পাঠানোর জন্য সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং লাইসেন্স, সঠিক ভিসা ও চুক্তিপত্র থাকা বাধ্যতামূলক।
উজ্জ্বল শাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরাসরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “বিদেশে কাজের নামে অবৈধভাবে পাঠানো মানবপাচারের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত কেউ হলে দ্রুত অভিযোগ করুন।”
সতর্কবার্তা জারি করেছেন সচেতন মহল:
শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশ যাওয়া।
ভিসা ও কর্মচুক্তি নিজে যাচাই করা।
প্রবাসী কল্যাণ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন নিশ্চিত করা।
মনাকষার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোও সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।