April 28, 2026, 6:13 am
শিরোনাম :
তীব্র গরমে সরই উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ইউপি প্রশাসকের ৫ দফা নির্দেশনা নেত্রকোনায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু কোটালীপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত খুলনা প্রেসক্লাবে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ধামরাইতে অবৈধভাবে মজুদ করা ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ মৌলভীবাজারে আধুনিক পাবলিক লাইব্রেরি পুনঃস্থাপনের দাবিতে ইউএনওকে স্মারকলিপি খালপাড়–মসজিদ রোড সংযোগ সড়ক ও গণশৌচাগার নির্মাণে আবেদন কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গাছচাপায় প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বা নারীর বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বিপুল ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পার্বতীপুরে কৃষি উন্নয়নে ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ইরি ও বোরো ধানের ব্যাপক আবাদ

অভয়নগর প্রতিবেদক

পাবনা জেলা, বিশেষ করে চলনবিল অঞ্চল, ইরি ও বোরো ধান আবাদের জন্য সুপরিচিত। জেলার ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর ও আটঘরিয়া উপজেলায় অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত সেচব্যবস্থা এবং আধুনিক উচ্চফলনশীল জাতের ব্যবহারের কারণে প্রতি মৌসুমেই ব্যাপক হারে ধান চাষ হয়ে থাকে। ব্রি ধান-৪৮সহ বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের চাষ এ অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
জেলার ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর, আটঘরিয়া, ফরিদপুর, পাবনা সদর, ঈশ্বরদী, বেড়া, সাঁথিয়া ও সুজানগর উপজেলাজুড়ে বিস্তীর্ণ মাঠে ইরি ও বোরো ধানের আবাদ করা হয়। সেচ সুবিধা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা প্রায়ই ছাড়িয়ে যায়। বিশেষ করে চাটমোহরে সমলয় পদ্ধতিতে প্লাস্টিক ট্রেতে চারা তৈরি করে হাইব্রিড বোরো ধানের চাষ কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
বন্যার পানি দ্রুত নেমে যায় এমন বিল এলাকায় আগাম ইরি ও বোরো ধান রোপণ করা হয়। পাশাপাশি আউশ মৌসুমেও সেচ-সাশ্রয়ী ধান চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও উচ্চফলনশীল জাত ব্যবহারের ফলে কৃষকরা ভালো ফলন পাচ্ছেন। তবে উৎপাদন ভালো হলেও ন্যায্য বাজারদর নিয়ে কৃষকদের মধ্যে শঙ্কা থাকে।
এদিকে বেসরকারি বীজের ওপর নির্ভরতা বাড়ায় চাষাবাদের খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে পাবনা জেলার কৃষকরা আমন ধানের তুলনায় ইরি ও বোরো ধানের ওপরই বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠেছেন।



ফেসবুক কর্নার