May 14, 2026, 2:52 pm
শিরোনাম :
বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান মুকসুদপুরে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পরিচালক খয়ের উদ্দিন মোল্লা উপবন এক্সপ্রেসের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন

সুলভ মূল্যে গরুর মাংস বিক্রি, স্বস্তি ফিরছে সাধারণ মানুষের পাতে

অভয়নগর প্রতিবেদক

নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে গরুর মাংস মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার পরিস্থিতিতে কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সুলভ মূল্যে গরুর মাংস বিক্রি কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়েছে। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতিদিনই ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
বাজারে যেখানে গরুর মাংস কেজিপ্রতি প্রায় ৮০০ টাকা, সেখানে জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে মাত্র ৬৫০ টাকায় টাটকা ও মানসম্মত মাংস ক্রেতাদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। ভোর থেকেই শত শত মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তত্ত্বাবধানে বাজার থেকে গরু ক্রয়, জবাই এবং মাংস প্রস্তুতির পুরো প্রক্রিয়া ক্রেতাদের সামনেই সম্পন্ন করা হচ্ছে, যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। প্রতিজন ক্রেতাকে সর্বোচ্চ ২ কেজি করে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। তবে চাহিদা বেশি থাকায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রতিদিনের বরাদ্দ শেষ হয়ে যাচ্ছে।
মাংস কিনতে আসা এক গৃহবধূ জানান, বাজারের তুলনায় কম দামে চোখের সামনে কাটা টাটকা মাংস পাওয়া সত্যিই স্বস্তির। অনেক ক্রেতা মনে করছেন, শুধু রমজান বা ঈদকে ঘিরে নয়, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের উদ্যোগ চালু রাখা উচিত।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের সহযোগিতায় পরিচালিত এই কার্যক্রমে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন বলেন, মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি ক্রেতাদের সুশৃঙ্খল অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জানান, ঈদ পর্যন্ত নিয়মিতভাবে কার্যক্রম চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। চাহিদা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, সুলভ মূল্যে মানসম্মত মাংস বিক্রির এই উদ্যোগ বাজারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে কার্যকর বার্তা দিচ্ছে। কুষ্টিয়াবাসীর প্রত্যাশা, এই ‘স্বস্তির উদ্যোগ’ দীর্ঘমেয়াদে সাধারণ মানুষের জন্য স্থায়ী সেবায় পরিণত হবে।



ফেসবুক কর্নার