June 25, 2026, 9:29 pm
শিরোনাম :
নিজের বায়োপিকে অভিনয় করতে চান পপি ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১৬৪ জনের মরদেহ উদ্ধার গুপ্তধনের লোভে সর্বস্বান্ত পরিবার, ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মান্দায় অটোরিকশা মালিক সমিতির নেতাকে মারধরের অভিযোগ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ কুষ্টিয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে সোপর্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশুমৃত্যুর অভিযোগ: ভুল ইনজেকশন নিয়ে তোলপাড়, তদন্তের দাবি লক্ষ্মীপুরে মা ও দুই মেয়েকে হত্যা, আরেক কন্যা আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব চীনের সঙ্গে আরো গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

অভয়নগর প্রতিবেদক

আজ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল ও অনন্য দিন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) শেখ মুজিবুর রহমান এক বিশাল জনসমুদ্রে তার ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। সেই ভাষণে বাঙালি জাতি খুঁজে পেয়েছিল স্বাধীনতা-সংগ্রামের এক দিকনির্দেশনা।

পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক এ ভাষণই হয়ে ওঠে স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজমন্ত্র। মূলত শেখ মুজিবুরের এ ভাষণের আহ্বানেই মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে বাঙালি। তাই এ জাতির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধ জাগরণের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয় ভাষণটি।

২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণে সেদিন শেখ মুজিবুর যেমন বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেছেন, তেমনি দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এক কথায় বলা যায়, এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল।

 

একাত্তরের এই দিনের পড়ন্ত বিকেলে শেখ মুজিবুর সমবেত লাখো মানুষকে সামনে রেখে বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ তিনি দেশের মানুষকে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করার এবং ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তার এই উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। তার এই বজ্রনিনাদে আসন্ন মহামুক্তির আনন্দে বাঙালি জাতি উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। যুগ যুগ ধরে শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত মুক্তির লক্ষ্যে।

আগে প্রতি বছর দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলেও ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঐতিহাসিক ৭ মার্চসহ আটটি জাতীয় দিবস পালন না করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।



ফেসবুক কর্নার