June 6, 2026, 5:45 pm
শিরোনাম :
তুচ্ছ বিরোধে লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের ওপর হামলার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্ক, ৪৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা ৭৬ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের ধামরাইয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০ হিলি সীমান্তে পাঁচ বাংলাদেশিকে পুশইনের চেষ্টা, বাধা দিল বিজিবি মাদকবিরোধী অভিযানে কাউনিয়ায় ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার ডেঙ্গু প্রতিরোধে মুকসুদপুরে প্রশাসনের সচেতনতামূলক র‍্যালি মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রাথমিক সদস্যপদ পেলেন ৪ সাংবাদিক

রুমা গালেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছে সাধারণ মানুষ

শৈলুমং মার্মা রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি
বান্দরবানের রুমা উপজেলার গালেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তি, অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এতে ক্ষোভে ফুঁসছে সাধারণ জনগণ।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্তর হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিকদের জন্মনিবন্ধন, মৃত্যু সনদ, পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্সসহ নানা সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এসব সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন মানুষ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জন্মনিবন্ধন অনলাইনে করতে গিয়ে ২০-৩০ দিন এমনকি তারও বেশি সময় লাগছে। অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা প্রতি নিবন্ধনে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন, যা সরকারি নির্ধারিত ফি’র তুলনায় কয়েকগুণ বেশি।
স্থানীয় এক শিক্ষার্থী রিপন ম্রো জানান, “একটি জন্মনিবন্ধনের জন্য ৩০০-৪০০ টাকা দিতে হচ্ছে। অথচ সরকার এত ফি নির্ধারণ করেনি। আবার ইউনিয়ন পরিষদে না পেয়ে রুমা উপজেলা সদরে যাতায়াতেও প্রায় ৪০০ টাকা খরচ হয়।”
সরকারি ফি তালিকা অনুযায়ী, জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফি সর্বোচ্চ ৫০ টাকা হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উদ্যোক্তা দাবি করেন, নির্দিষ্ট বেতন না থাকায় অতিরিক্ত অর্থ নিতে বাধ্য হচ্ছেন এবং সেই অর্থ বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ করতে হয়।
এছাড়া, ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সেবা নিতে গেলে বিদ্যুৎ নেই, সার্ভার সমস্যা বা কর্মকর্তা অনুপস্থিত—এমন নানা অজুহাতে ঘুরানো হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা পেতেও ঘুষ ও অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ ও কাজ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব অনিয়মের দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের আস্থার জায়গায় ফিরিয়ে আনা হোক।



ফেসবুক কর্নার