June 29, 2026, 12:30 am
শিরোনাম :
লামায় সেগুন কাঠ পাচারের অভিযোগ: ডেপুটি রেঞ্জার ও বনকর্মীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দুলাভাই বাহিনীর এক সদস্য নিহত, আটক ৩ পাগলির মেলা: শত বছরের ঐতিহ্যে ইতিহাস, বিশ্বাস ও গ্রামীণ সংস্কৃতির মিলন ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল নারীর, আহত আরও দুই নওগাঁর আম এবার যুক্তরাষ্ট্রে, বিশ্ববাজারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার কালীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ভিডিও ঘিরে আলোচনা, তদন্তের দাবি ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: গণধোলাই দিয়ে ধর্ষক পুলিশে সোপর্দ,  বিশেষ অভিযানে রামপালে যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার শ্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে অনশন, কেন্দুয়ায় আলোচনায় তরুণীর অবস্থান সীমান্তবর্তী দৌলতপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য

উদ্বোধনের পরও অচল রৌমারী পল্লী মার্কেট, ছাদে মাদকসেবীদের আস্তানা

কে. এম. জাকির রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
oplus_0

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চকবাজারে এলজিইডির অর্থায়নে নির্মিত ‘চতুর্থ তলা ভিত্তি বিশিষ্ট দ্বিতল পল্লী মার্কেট’ উদ্বোধনের দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো চালু হয়নি। ফলে সরকারি এ অবকাঠামোটি একদিকে যেমন অচল অবস্থায় পড়ে আছে, অন্যদিকে ভবনের ছাদে মাদকসেবীদের আড্ডায় রূপ নিয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৬ মে তৎকালীন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব হাসান পলাশ আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কেটটির উদ্বোধন করেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটি হস্তান্তর করেন। কিন্তু উদ্বোধনের পরও দোকান বরাদ্দসহ নানা প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এখনো মার্কেটটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মার্কেটটির ভেতরে কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম নেই। ভবনের ছাদে প্রবেশের গেট ভাঙা থাকায় সেখানে অবাধ যাতায়াত সম্ভব হচ্ছে। দিনের বেলাতেই ছাদে কয়েকজনকে জটলা করে মাদক সেবন করতে দেখা যায় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে বলে জানান তারা।
এদিকে, মার্কেট নির্মাণের আগে যেসব ব্যবসায়ী এখানে দোকান পরিচালনা করতেন, তারা বর্তমানে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, “আমাদের পুরোনো দোকান ভেঙে এই মার্কেট তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু এখনো দোকান বরাদ্দ না পাওয়ায় আমরা অনেকে অন্যত্র চড়া ভাড়ায় ব্যবসা করছি, আবার কেউ পুঁজি হারিয়ে বিপাকে পড়েছি।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দ্রুত দোকান বরাদ্দ ও কার্যক্রম চালু না হলে এই সরকারি সম্পদ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপরাধ প্রবণতা বাড়বে। তারা প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, মাদকসেবীদের উৎখাত এবং মার্কেটটি চালুর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।



ফেসবুক কর্নার